এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে টানা সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড হোমস। চলতি বছর (২০২৬) প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ–৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) ফলাফল ঘোষণার পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন।
প্রতিষ্ঠানটির এই ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এর প্রতিষ্ঠাতা ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা এবং বিদ্যালয়ের নামযুক্ত দাতা মিসেস নাছিমা মোল্লা। এর আগে ২০২২, ২০১৭, ২০১৫ ও ২০২৫ সালেও শতভাগ জিপিএ–৫ পেয়ে দেশসেরা ফলের তালিকায় নাম লিখিয়েছিল এই প্রতিষ্ঠানটি।
বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পিইসি, জেএসসি ও এসএসসিতে ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়ে আসছে বিদ্যালয়টি। এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের সবাই জিপিএ–৫ পেয়েছে। গত বছরও ৩২০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ–৫ পেয়েছিল।
সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলে, ‘দেশের নানা প্রতিকূলতায় পড়াশোনার বেশ ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষকদের বিশেষ যত্ন ও গাইড টিচারদের নিয়মিত তদারকির কারণে আমরা সেই ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এই ফলে সব কষ্ট মুছে গেছে।’
সাফল্যের রহস্য সম্পর্কে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, ‘আমরা কেবল সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চাই না, শিক্ষার্থীদের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক–এই চারটি স্তম্ভের মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ই আমাদের নিয়মিত সাফল্যের মূল কারণ।’
প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান স্যারের সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা এবং শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমই এই ফলের কারিগর। আমরা শুধু একাডেমিক পড়াশোনা নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও দেশসেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি।’
নরসিংদী শহরের ভেলানগর এলাকায় অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। ১৭৪ জন তরুণ ও মেধাবী শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে কঠোর শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিদ্যালয়টি।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে টানা সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড হোমস। চলতি বছর (২০২৬) প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ–৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) ফলাফল ঘোষণার পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন।
প্রতিষ্ঠানটির এই ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এর প্রতিষ্ঠাতা ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা এবং বিদ্যালয়ের নামযুক্ত দাতা মিসেস নাছিমা মোল্লা। এর আগে ২০২২, ২০১৭, ২০১৫ ও ২০২৫ সালেও শতভাগ জিপিএ–৫ পেয়ে দেশসেরা ফলের তালিকায় নাম লিখিয়েছিল এই প্রতিষ্ঠানটি।
বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পিইসি, জেএসসি ও এসএসসিতে ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়ে আসছে বিদ্যালয়টি। এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের সবাই জিপিএ–৫ পেয়েছে। গত বছরও ৩২০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ–৫ পেয়েছিল।
সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলে, ‘দেশের নানা প্রতিকূলতায় পড়াশোনার বেশ ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষকদের বিশেষ যত্ন ও গাইড টিচারদের নিয়মিত তদারকির কারণে আমরা সেই ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এই ফলে সব কষ্ট মুছে গেছে।’
সাফল্যের রহস্য সম্পর্কে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, ‘আমরা কেবল সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চাই না, শিক্ষার্থীদের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক–এই চারটি স্তম্ভের মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ই আমাদের নিয়মিত সাফল্যের মূল কারণ।’
প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান স্যারের সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা এবং শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমই এই ফলের কারিগর। আমরা শুধু একাডেমিক পড়াশোনা নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও দেশসেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি।’
নরসিংদী শহরের ভেলানগর এলাকায় অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। ১৭৪ জন তরুণ ও মেধাবী শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে কঠোর শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিদ্যালয়টি।

আপনার মতামত লিখুন