সংবাদ

টানা ৩ বার ফেলই কি আত্মহত্যার কারণ?


প্রতিনিধি, রাউজান-হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)
প্রতিনিধি, রাউজান-হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৭ এএম

টানা ৩ বার ফেলই কি আত্মহত্যার কারণ?
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের রাউজানে এসএসসি পরীক্ষায় টানা তিনবার অকৃতকার্য হওয়ার গ্লানি সইতে না পেরে মনি দাশ গুপ্তা (১৮) নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের গশ্চি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মনি ওই ইউনিয়নের গশ্চি শ্যামল মাস্টারের বাড়ির মৃদুল দাশ গুপ্তের মেয়ে। তিনি গশ্চি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে এসএসসির ফলাফল প্রকাশিত হলে মনি জানতে পারেন তিনি এবারও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এ নিয়ে টানা তিনবার তিনি অকৃতকার্য হলেন। ফলাফল জানার পর হতাশায় ভেঙে পড়েন মনি। দুপুরে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরে তার মা ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান।

স্বজনরা মনিকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এলাকাবাসী জানান, এর আগেও দুইবার পরীক্ষা দিয়ে তিনি অকৃতকার্য হয়েছিলেন। তৃতীয়বারের মতো ব্যর্থতা মেনে নিতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাজশ্রী বিশ্বাসের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


টানা ৩ বার ফেলই কি আত্মহত্যার কারণ?

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের রাউজানে এসএসসি পরীক্ষায় টানা তিনবার অকৃতকার্য হওয়ার গ্লানি সইতে না পেরে মনি দাশ গুপ্তা (১৮) নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের গশ্চি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মনি ওই ইউনিয়নের গশ্চি শ্যামল মাস্টারের বাড়ির মৃদুল দাশ গুপ্তের মেয়ে। তিনি গশ্চি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে এসএসসির ফলাফল প্রকাশিত হলে মনি জানতে পারেন তিনি এবারও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এ নিয়ে টানা তিনবার তিনি অকৃতকার্য হলেন। ফলাফল জানার পর হতাশায় ভেঙে পড়েন মনি। দুপুরে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরে তার মা ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান।

স্বজনরা মনিকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এলাকাবাসী জানান, এর আগেও দুইবার পরীক্ষা দিয়ে তিনি অকৃতকার্য হয়েছিলেন। তৃতীয়বারের মতো ব্যর্থতা মেনে নিতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাজশ্রী বিশ্বাসের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত