সংবাদ

পাসের হার ৩৭%, ঐতিহ্য হারানোর পথে মির্জানগর তৌহিদ


প্রতিনিধি, ফেনী
প্রতিনিধি, ফেনী
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৫ এএম

পাসের হার ৩৭%, ঐতিহ্য হারানোর পথে মির্জানগর তৌহিদ
ছবি : সংবাদ

ফেনীর পরশুরাম উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মির্জানগর তৌহিদ একাডেমিতে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। একসময়ের নামী এই বিদ্যাপীঠটিতে এবার যেন ‘ফেলের উৎসব’ বসেছিল। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জনই অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের খাতায় নাম উঠেছে মাত্র ৩০ জনের।

বিদ্যালয়টির এবারের পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। এমন হতাশাজনক ফলাফলে অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীমহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, শিক্ষার মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি তার দীর্ঘদিনের পুরনো ঐতিহ্য ও সুনাম হারাচ্ছে। তবে এই চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও একমাত্র সান্ত্বনা হয়ে এসেছে মাত্র দুজনের জিপিএ-৫ প্রাপ্তি।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, নিয়মিত তদারকির অভাব ও শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে গাফিলতির কারণেই ফলাফলে এই ধস নেমেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বিদ্যালয়টির শিক্ষার পরিবেশ আরও সংকটাপন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জানগর তৌহিদ একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. আইয়ুব শিক্ষার্থীদের ওপরেই দায় চাপান। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ছাত্ররা পড়াশোনায় অনেকটাই অনাগ্রহী। অনেক ক্ষেত্রে তারা পরিবারের কথা শোনে না। শুধু শিক্ষকদের প্রচেষ্টায় ভালো ফল সম্ভব নয়; এর জন্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পাসের হার ৩৭%, ঐতিহ্য হারানোর পথে মির্জানগর তৌহিদ

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ফেনীর পরশুরাম উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মির্জানগর তৌহিদ একাডেমিতে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। একসময়ের নামী এই বিদ্যাপীঠটিতে এবার যেন ‘ফেলের উৎসব’ বসেছিল। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫০ জনই অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের খাতায় নাম উঠেছে মাত্র ৩০ জনের।

বিদ্যালয়টির এবারের পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। এমন হতাশাজনক ফলাফলে অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীমহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, শিক্ষার মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি তার দীর্ঘদিনের পুরনো ঐতিহ্য ও সুনাম হারাচ্ছে। তবে এই চরম বিপর্যয়ের মধ্যেও একমাত্র সান্ত্বনা হয়ে এসেছে মাত্র দুজনের জিপিএ-৫ প্রাপ্তি।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, নিয়মিত তদারকির অভাব ও শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে গাফিলতির কারণেই ফলাফলে এই ধস নেমেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বিদ্যালয়টির শিক্ষার পরিবেশ আরও সংকটাপন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জানগর তৌহিদ একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. আইয়ুব শিক্ষার্থীদের ওপরেই দায় চাপান। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ছাত্ররা পড়াশোনায় অনেকটাই অনাগ্রহী। অনেক ক্ষেত্রে তারা পরিবারের কথা শোনে না। শুধু শিক্ষকদের প্রচেষ্টায় ভালো ফল সম্ভব নয়; এর জন্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত