নরসিংদীর পলাশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা ও গুলিতে আহত ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম (৩০) মারা গেছেন। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে টানা ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাসুম উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসনহাটা গ্রামের মমিন হাজীর ছেলে। তিনি ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাসনহাটা গ্রামের বিজয়, সবুজ ও ইকবাল গ্রুপের সঙ্গে মাসুম ও জয়নাল আবেদীনদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এর জেরে গত ১ আগস্ট রাতে স্থানীয় ফকির বাড়ির একটি মুদিদোকানে মাসুম ও তার সহযোগীরা বসে থাকাকালীন প্রতিপক্ষের লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা মাসুমের পেটে গুলি করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে এলোপাতাড়ি কোপে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
গুরুতর অবস্থায় মাসুমকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়। মাসুমের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের বোনজামাই বাদী হয়ে ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এলাকায় নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
নরসিংদীর পলাশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা ও গুলিতে আহত ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম (৩০) মারা গেছেন। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে টানা ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাসুম উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসনহাটা গ্রামের মমিন হাজীর ছেলে। তিনি ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাসনহাটা গ্রামের বিজয়, সবুজ ও ইকবাল গ্রুপের সঙ্গে মাসুম ও জয়নাল আবেদীনদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এর জেরে গত ১ আগস্ট রাতে স্থানীয় ফকির বাড়ির একটি মুদিদোকানে মাসুম ও তার সহযোগীরা বসে থাকাকালীন প্রতিপক্ষের লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা মাসুমের পেটে গুলি করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে এলোপাতাড়ি কোপে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মামুন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
গুরুতর অবস্থায় মাসুমকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়। মাসুমের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের বোনজামাই বাদী হয়ে ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এলাকায় নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন