সংবাদ

দুমকিতে ইউএনওর অপসারণ দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম


প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪২ পিএম

দুমকিতে ইউএনওর অপসারণ দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম
ছবি : সংবাদ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয় ছাত্রজনতা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে দুমকি-বাউফল মহাসড়কে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা ইউএনওকে অপসারণের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজারে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ইউএনও নিয়মিত অফিসে আসেন না, সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং জরুরি প্রয়োজনে কারও ফোন ধরেন না। এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম এবং ৫ আগস্টের বীরদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রকৃত যোদ্ধাদের দাওয়াত না দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তাঁরা।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আমিনুল ইসলাম, সারমিন আক্তার স্বর্ণা, সাইফুল আলম, আবু রাফি ও স্থানীয় বাসিন্দা নাজেম সরদার প্রমুখ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


দুমকিতে ইউএনওর অপসারণ দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয় ছাত্রজনতা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে দুমকি-বাউফল মহাসড়কে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা ইউএনওকে অপসারণের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজারে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ইউএনও নিয়মিত অফিসে আসেন না, সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং জরুরি প্রয়োজনে কারও ফোন ধরেন না। এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম এবং ৫ আগস্টের বীরদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রকৃত যোদ্ধাদের দাওয়াত না দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তাঁরা।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আমিনুল ইসলাম, সারমিন আক্তার স্বর্ণা, সাইফুল আলম, আবু রাফি ও স্থানীয় বাসিন্দা নাজেম সরদার প্রমুখ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত