প্রশ্নফাঁস ও সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতির প্রতিবাদে উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড। টানা ১৭ দিন ধরে চলা আন্দোলন হঠাৎ করে প্রচণ্ড সহিংস রূপ নেওয়ায় সোমবার রাজধানী রাঁচি থমথমে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
রাজ্য
বিধানসভা ঘেরাও কর্মসূচিতে হাজার হাজার ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী পুলিশের তৈরি করা একাধিক
ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢোকার
চেষ্টা করলে পরিস্থিতি পুরোপুরি
নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সংঘর্ষ
থামাতে পুলিশ বেপরোয়া লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল এবং জলকামান ব্যবহার
করে। এতে বহু আন্দোলনকারী
গুরুতর আহত হয়েছেন এবং
পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক
ও চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে
পড়েছে।
নিয়োগ
দুর্নীতির ঘটনা কেন্দ্র করে
রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে।
পুরো কেলেঙ্কারির পেছনে সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবিতে বিরোধী দল বিজেপি সরাসরি
মাঠে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সরকারি বাসভবনের সামনে বিরোধী নেতারা আকস্মিক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করলে সংঘর্ষ
আরো বাড়ে।
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির চরম অবনতি রুখতে
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডি এবং আদিত্য সাহুকে
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আটক
করে নিয়ে যায়। এই
ঘটনার পর থেকে শাসক
ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র
কাদা ছোড়াছুড়ি ও উত্তেজনা চলছে।
পরিস্থিতি
সামাল দিতে এবং শিক্ষার্থীদের
ক্ষোভ প্রশমিত করতে রোববার ঝাড়খণ্ড
সরকার ১৪তম জেপিএসসি (JPSC) কম্বাইনড
সিভিল সার্ভিসেস প্রিলিমিনারিসহ তিনটি বড় পরীক্ষা বাতিলের
ঘোষণা দেয়।
এছাড়া
চাপের মুখে জেপিএসসির তিন
সদস্য ইতোমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে একাধিক মন্ত্রীদের
সমন্বয়ে গঠিত সরকারি প্যানেল
আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক
করলেও তা ব্যর্থ হয়।
আন্দোলনকারীরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, সব দুর্নীতিগ্রস্ত পরীক্ষা
বাতিল এবং স্বাধীন তদন্ত
ছাড়া তারা কোনোভাবেই রাজপথ
ছাড়বেন না।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রশ্নফাঁস ও সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতির প্রতিবাদে উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড। টানা ১৭ দিন ধরে চলা আন্দোলন হঠাৎ করে প্রচণ্ড সহিংস রূপ নেওয়ায় সোমবার রাজধানী রাঁচি থমথমে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
রাজ্য
বিধানসভা ঘেরাও কর্মসূচিতে হাজার হাজার ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী পুলিশের তৈরি করা একাধিক
ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢোকার
চেষ্টা করলে পরিস্থিতি পুরোপুরি
নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সংঘর্ষ
থামাতে পুলিশ বেপরোয়া লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল এবং জলকামান ব্যবহার
করে। এতে বহু আন্দোলনকারী
গুরুতর আহত হয়েছেন এবং
পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক
ও চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে
পড়েছে।
নিয়োগ
দুর্নীতির ঘটনা কেন্দ্র করে
রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে।
পুরো কেলেঙ্কারির পেছনে সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবিতে বিরোধী দল বিজেপি সরাসরি
মাঠে নেমেছে। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সরকারি বাসভবনের সামনে বিরোধী নেতারা আকস্মিক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করলে সংঘর্ষ
আরো বাড়ে।
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির চরম অবনতি রুখতে
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডি এবং আদিত্য সাহুকে
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আটক
করে নিয়ে যায়। এই
ঘটনার পর থেকে শাসক
ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র
কাদা ছোড়াছুড়ি ও উত্তেজনা চলছে।
পরিস্থিতি
সামাল দিতে এবং শিক্ষার্থীদের
ক্ষোভ প্রশমিত করতে রোববার ঝাড়খণ্ড
সরকার ১৪তম জেপিএসসি (JPSC) কম্বাইনড
সিভিল সার্ভিসেস প্রিলিমিনারিসহ তিনটি বড় পরীক্ষা বাতিলের
ঘোষণা দেয়।
এছাড়া
চাপের মুখে জেপিএসসির তিন
সদস্য ইতোমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে একাধিক মন্ত্রীদের
সমন্বয়ে গঠিত সরকারি প্যানেল
আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক
করলেও তা ব্যর্থ হয়।
আন্দোলনকারীরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, সব দুর্নীতিগ্রস্ত পরীক্ষা
বাতিল এবং স্বাধীন তদন্ত
ছাড়া তারা কোনোভাবেই রাজপথ
ছাড়বেন না।

আপনার মতামত লিখুন