সংবাদ

১৩ বছর পর জোড়া খুনের বিচার


প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

১৩ বছর পর জোড়া খুনের বিচার
ছবি : সংবাদ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মামলার অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মনু মিঝি বাড়িতে পুকুরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে সেতারা বেগম ও খলিল নামের দুজন নিহত হন এবং আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনায় আব্দুস সহিদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আদালত প্রধান আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন বাদল বলেন, ‘নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিচার সম্পন্ন হয়েছে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।’ অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামছুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তাঁরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

পুলিশ জানায়, ওইদিনের হামলায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন এখনো পঙ্গুত্ব বরণ করে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। আদালত পর্যবেক্ষণে এই ধরনের নৃশংস অপরাধ রোধে কঠোর সাজার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬


১৩ বছর পর জোড়া খুনের বিচার

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মামলার অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মনু মিঝি বাড়িতে পুকুরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে সেতারা বেগম ও খলিল নামের দুজন নিহত হন এবং আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনায় আব্দুস সহিদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আদালত প্রধান আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন বাদল বলেন, ‘নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিচার সম্পন্ন হয়েছে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।’ অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামছুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তাঁরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

পুলিশ জানায়, ওইদিনের হামলায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন এখনো পঙ্গুত্ব বরণ করে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। আদালত পর্যবেক্ষণে এই ধরনের নৃশংস অপরাধ রোধে কঠোর সাজার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত