সংবাদ

মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ শিশু রাসিনকে বাঁচানো গেল না


প্রতিনিধি, কাপাসিয়া (গাজীপুর)
প্রতিনিধি, কাপাসিয়া (গাজীপুর)
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:২১ পিএম

মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ শিশু রাসিনকে বাঁচানো গেল না
ছবি : সংবাদ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ হয়ে তিন বছর বয়সী শিশু ফাইজান আহমেদ রাসিনের মৃত্যু হয়েছে। গত ৩ আগস্ট বিকেলে ঘুমন্ত ছেলেকে বাসায় রেখে মা ফেরদৌসী বেগম প্রতিবেশীর বাড়িতে গল্প করতে যান। যাওয়ার আগে মশা তাড়াতে বিছানার কোণে একটি কয়েল জ্বালিয়ে দিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর সেই কয়েল থেকে বিছানার চাদর ও তোশকে আগুন ধরে যায়, একপর্যায়ে রাসিনের শরীরেও আগুন লাগে।

প্রতিবেশী শিক্ষক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, ঘরের দরজা বাইরে থেকে শিকল আটকানো থাকায় শিশুটি চিৎকার করেও বের হতে পারছিল না। চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করেন, ততক্ষণে গলা, পিঠ, পেট ও পায়ের অনেকখানি অংশ দগ্ধ হয়ে যায়। প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়, যেখানে শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানান চিকিৎসকেরা। প্রায় ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বুধবার রাত ১১টায় সে মারা যায়।

রাসিনের বাবা মোশাররফ হোসেন পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান, মা ফেরদৌসী বেগম গৃহিণী। তিন ছেলের মধ্যে রাসিন ছিল সবচেয়ে ছোট এবং স্থানীয় মসজিদভিত্তিক পাঠশালার শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ শিশু রাসিনকে বাঁচানো গেল না

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ হয়ে তিন বছর বয়সী শিশু ফাইজান আহমেদ রাসিনের মৃত্যু হয়েছে। গত ৩ আগস্ট বিকেলে ঘুমন্ত ছেলেকে বাসায় রেখে মা ফেরদৌসী বেগম প্রতিবেশীর বাড়িতে গল্প করতে যান। যাওয়ার আগে মশা তাড়াতে বিছানার কোণে একটি কয়েল জ্বালিয়ে দিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর সেই কয়েল থেকে বিছানার চাদর ও তোশকে আগুন ধরে যায়, একপর্যায়ে রাসিনের শরীরেও আগুন লাগে।

প্রতিবেশী শিক্ষক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, ঘরের দরজা বাইরে থেকে শিকল আটকানো থাকায় শিশুটি চিৎকার করেও বের হতে পারছিল না। চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করেন, ততক্ষণে গলা, পিঠ, পেট ও পায়ের অনেকখানি অংশ দগ্ধ হয়ে যায়। প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়, যেখানে শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানান চিকিৎসকেরা। প্রায় ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বুধবার রাত ১১টায় সে মারা যায়।

রাসিনের বাবা মোশাররফ হোসেন পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান, মা ফেরদৌসী বেগম গৃহিণী। তিন ছেলের মধ্যে রাসিন ছিল সবচেয়ে ছোট এবং স্থানীয় মসজিদভিত্তিক পাঠশালার শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত