কুমিল্লায় রোববার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে 'কিশোর গ্যাং'-এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরও ৪১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃতদের মধ্যে ২৭৭ জনের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৩৮ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকের সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের পর জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে জেলাজুড়ে এই বিশেষ অভিযান শুরু করে পুলিশ।
অভিযান শুরুর পর থেকে তিন দিনে জেলার ১৮টি থানা এলাকা থেকে মোট ১ হাজার ২৯৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬১৯ জনকে বিভিন্ন মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে ৬৭৪ জনকে স্বজনদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মুচলেকা নিয়ে ছাড়া পাওয়া ব্যক্তিদের বড় অংশই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান সংবাদকে বলেন, ‘কিশোর গ্যাং দমন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নগরসহ প্রতিটি থানা এলাকার যেসব স্থানে উঠতি বয়সী তরুণেরা গ্যাং তৈরি করে আড্ডা দিত ও উৎপাত করত, সেসব স্থান চিহ্নিত করে অভিযান চলছে।’
পুলিশ জানায়, আদালতে সোপর্দ করা ১৩৮ জনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, আগের মামলা, পরোয়ানা এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। জেলাজুড়ে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লায় রোববার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে 'কিশোর গ্যাং'-এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরও ৪১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃতদের মধ্যে ২৭৭ জনের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৩৮ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকের সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের পর জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে জেলাজুড়ে এই বিশেষ অভিযান শুরু করে পুলিশ।
অভিযান শুরুর পর থেকে তিন দিনে জেলার ১৮টি থানা এলাকা থেকে মোট ১ হাজার ২৯৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬১৯ জনকে বিভিন্ন মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে ৬৭৪ জনকে স্বজনদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মুচলেকা নিয়ে ছাড়া পাওয়া ব্যক্তিদের বড় অংশই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান সংবাদকে বলেন, ‘কিশোর গ্যাং দমন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নগরসহ প্রতিটি থানা এলাকার যেসব স্থানে উঠতি বয়সী তরুণেরা গ্যাং তৈরি করে আড্ডা দিত ও উৎপাত করত, সেসব স্থান চিহ্নিত করে অভিযান চলছে।’
পুলিশ জানায়, আদালতে সোপর্দ করা ১৩৮ জনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, আগের মামলা, পরোয়ানা এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। জেলাজুড়ে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন