খেলার সময় শিশুদের মধ্যে সামান্য ধাক্কাধাক্কি ও ঝগড়ার মতো তুচ্ছ ঘটনা যে কতটা ভয়ংকর রূপ নিতে পারে, তার এক নির্মম ও হৃদয়বিদারক নজির দেখল দেশবাসী। নাটোর শহরের বড়হরিশপুর মহল্লার চেয়ারম্যান রোডের একটি বাড়িতে ঘটে গেছে এমন এক অমানবিক ও লোমহর্ষক কাণ্ড, যা শুনলে যেকোনো মানুষের বুক কেঁপে উঠবে।
শিশুদের খেলার সামান্য বিরোধকে কেন্দ্র করে সাত বছরের এক নিষ্পাপ শিশুর ডান হাতের শাহাদাত আঙুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কনস্টেবল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। নির্মম এই ঘটনায় ছোট্ট শিশুটির ভবিষ্যৎ এখন পুরোপুরি অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ডুবে গেছে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন কান্নাজড়িত কণ্ঠে ডুকরে ডুকরে বলেন, আমার ছেলেটা আর কোনো দিন ওই ডান হাত দিয়ে ঠিকমতো কলম ধরতে পারবে না। গত বুধবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেনের মেয়ের সঙ্গে তার সাত বছরের ছেলে বায়েজিদের মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। পরিবারের বড়রা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেও প্রতিহিংসা মেটেনি ওই পুলিশ দম্পতির। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে ভাড়াটিয়া পুলিশ কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাহরিন ক্ষিপ্ত হয়ে জোরপূর্বক শিশু বায়েজিদকে তাদের ফ্ল্যাটে তুলে নিয়ে যান।
অভিযোগ রয়েছে, কক্ষে ঢোকার পর অভিযুক্ত নারী নাহরিন শিশুটির ডান হাতের আঙুল শক্ত করে ধরে রাখেন এবং পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেন ধারালো বঁটি দিয়ে উপর্যুপরি কোপ বসিয়ে আঙুলটি শরীর থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাটা আঙুলটি হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারায় চিকিৎসকদের শতচেষ্টার পরও তা আর জোড়া লাগানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। আলাদা বক্তব্যে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেছেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রী নাহরিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও জোরদার করা হয়েছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খেলার সময় শিশুদের মধ্যে সামান্য ধাক্কাধাক্কি ও ঝগড়ার মতো তুচ্ছ ঘটনা যে কতটা ভয়ংকর রূপ নিতে পারে, তার এক নির্মম ও হৃদয়বিদারক নজির দেখল দেশবাসী। নাটোর শহরের বড়হরিশপুর মহল্লার চেয়ারম্যান রোডের একটি বাড়িতে ঘটে গেছে এমন এক অমানবিক ও লোমহর্ষক কাণ্ড, যা শুনলে যেকোনো মানুষের বুক কেঁপে উঠবে।
শিশুদের খেলার সামান্য বিরোধকে কেন্দ্র করে সাত বছরের এক নিষ্পাপ শিশুর ডান হাতের শাহাদাত আঙুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কনস্টেবল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। নির্মম এই ঘটনায় ছোট্ট শিশুটির ভবিষ্যৎ এখন পুরোপুরি অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ডুবে গেছে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন কান্নাজড়িত কণ্ঠে ডুকরে ডুকরে বলেন, আমার ছেলেটা আর কোনো দিন ওই ডান হাত দিয়ে ঠিকমতো কলম ধরতে পারবে না। গত বুধবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেনের মেয়ের সঙ্গে তার সাত বছরের ছেলে বায়েজিদের মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। পরিবারের বড়রা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেও প্রতিহিংসা মেটেনি ওই পুলিশ দম্পতির। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে ভাড়াটিয়া পুলিশ কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাহরিন ক্ষিপ্ত হয়ে জোরপূর্বক শিশু বায়েজিদকে তাদের ফ্ল্যাটে তুলে নিয়ে যান।
অভিযোগ রয়েছে, কক্ষে ঢোকার পর অভিযুক্ত নারী নাহরিন শিশুটির ডান হাতের আঙুল শক্ত করে ধরে রাখেন এবং পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেন ধারালো বঁটি দিয়ে উপর্যুপরি কোপ বসিয়ে আঙুলটি শরীর থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাটা আঙুলটি হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারায় চিকিৎসকদের শতচেষ্টার পরও তা আর জোড়া লাগানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। আলাদা বক্তব্যে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেছেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রী নাহরিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন