সংবাদ

সুচিত্রা সেনকে নিয়ে রুমন


বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম

সুচিত্রা সেনকে নিয়ে রুমন

“আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, সে সময় সুচিত্রা সেন ছিলেন এক বিশাল অনুভূতির নাম।” —এই নস্টালজিয়াকে উপজীব্য করেই মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে প্রকাশ পেয়েছে নতুন গান ‘সুচিত্রা সেন’।

গানটির কথা লিখেছেন গীতিকার শহীদ মাহমুদ জঙ্গী। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ‘পার্থিব’ ব্যান্ডের ভোকাল আশফাকুল বারী রুমন। তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে গানটি প্রকাশ করা হয়েছে।

গানটির পেছনের ভাবনা প্রসঙ্গে শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, “এই গানের মধ্যে সুচিত্রা সেন আছেন, আবার নেইও। আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, সে সময় সুচিত্রা সেন ছিলেন এক বিশাল অনুভূতির নাম। সৌন্দর্য ও আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবেই ভাবা হতো তাকে। ওই সময়ে নিজের পছন্দের মানুষকে সিনেমা কিংবা উপন্যাসের চরিত্রের সঙ্গে মেলানোর একটা প্রবণতা ছিল সবার মধ্যে। হঠাৎ মনে হলো, সেই সময়ের নস্টালজিয়া নিয়ে একটা গান লেখা যাক। এভাবেই গানটির জন্ম।”

জঙ্গীর লেখা গানে এর আগে কণ্ঠ দিলেও এবারই প্রথম তার লেখা গানে সুর করলেন রুমন। ফলে গানটি তাদের দুজনের সৃজনশীল যাত্রায়ও যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

গানটি প্রসঙ্গে রুমন বলেন, “দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল জঙ্গী ভাইয়ের লেখা গানে সুর করার। একদিন রাতে ফোন করে জানালেন, আমার জন্য একটা গান লিখেছেন। সেদিনই তার বাসায় গিয়ে কথাগুলো দেখে ভীষণ ভালো লেগে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই একটি ডেমো তৈরি করি, যা তিনি পছন্দ করেন। অবশেষে গানটি শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে পেরে ভালো লাগছে।”

সুচিত্রা সেনকে ঘিরে বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের আবেগ ও নস্টালজিয়াকে গানের কথায় তুলে ধরার এই প্রয়াস ইতোমধ্যেই শ্রোতাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। বিশেষ করে মহানায়িকার সৌন্দর্য, আভিজাত্য ও সেই সময়ের সাংস্কৃতিক আবহকে যারা স্মৃতিতে ধারণ করে আছেন, তাদের কাছে গানটি হয়ে উঠতে পারে এক টুকরো নস্টালজিয়া।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


সুচিত্রা সেনকে নিয়ে রুমন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

“আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, সে সময় সুচিত্রা সেন ছিলেন এক বিশাল অনুভূতির নাম।” —এই নস্টালজিয়াকে উপজীব্য করেই মহানায়িকা সুচিত্রা সেনকে নিয়ে প্রকাশ পেয়েছে নতুন গান ‘সুচিত্রা সেন’।

গানটির কথা লিখেছেন গীতিকার শহীদ মাহমুদ জঙ্গী। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ‘পার্থিব’ ব্যান্ডের ভোকাল আশফাকুল বারী রুমন। তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে গানটি প্রকাশ করা হয়েছে।

গানটির পেছনের ভাবনা প্রসঙ্গে শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, “এই গানের মধ্যে সুচিত্রা সেন আছেন, আবার নেইও। আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, সে সময় সুচিত্রা সেন ছিলেন এক বিশাল অনুভূতির নাম। সৌন্দর্য ও আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবেই ভাবা হতো তাকে। ওই সময়ে নিজের পছন্দের মানুষকে সিনেমা কিংবা উপন্যাসের চরিত্রের সঙ্গে মেলানোর একটা প্রবণতা ছিল সবার মধ্যে। হঠাৎ মনে হলো, সেই সময়ের নস্টালজিয়া নিয়ে একটা গান লেখা যাক। এভাবেই গানটির জন্ম।”

জঙ্গীর লেখা গানে এর আগে কণ্ঠ দিলেও এবারই প্রথম তার লেখা গানে সুর করলেন রুমন। ফলে গানটি তাদের দুজনের সৃজনশীল যাত্রায়ও যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

গানটি প্রসঙ্গে রুমন বলেন, “দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল জঙ্গী ভাইয়ের লেখা গানে সুর করার। একদিন রাতে ফোন করে জানালেন, আমার জন্য একটা গান লিখেছেন। সেদিনই তার বাসায় গিয়ে কথাগুলো দেখে ভীষণ ভালো লেগে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই একটি ডেমো তৈরি করি, যা তিনি পছন্দ করেন। অবশেষে গানটি শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে পেরে ভালো লাগছে।”

সুচিত্রা সেনকে ঘিরে বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের আবেগ ও নস্টালজিয়াকে গানের কথায় তুলে ধরার এই প্রয়াস ইতোমধ্যেই শ্রোতাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। বিশেষ করে মহানায়িকার সৌন্দর্য, আভিজাত্য ও সেই সময়ের সাংস্কৃতিক আবহকে যারা স্মৃতিতে ধারণ করে আছেন, তাদের কাছে গানটি হয়ে উঠতে পারে এক টুকরো নস্টালজিয়া।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত