সংবাদ

সেই চিকিৎসক দম্পতির শাস্তি চাইলো ভুক্তভোগী পরিবার


প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম

সেই চিকিৎসক দম্পতির শাস্তি চাইলো ভুক্তভোগী পরিবার
নোয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার।

নোয়াখালীতে চিকিৎসকের অবহেলায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসকের চিকিৎসা সনদ (লাইসেন্স) স্থগিত করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)। তবে অভিযোগ উঠেছে, লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও ওই চিকিৎসক দম্পতি নিয়মিত রোগী দেখছেন এবং তাদের মধ্যে একজনকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পদোন্নতিও দিয়েছে। এর প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

নোয়াখালী প্রেসক্লাবের শহীদ উদ্দিন এস্কান্দার কচি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত উম্মে সালমা ওরফে নিশির বাবা ও গণমাধ্যমকর্মী এম এ আউয়াল।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, চিকিৎসক মোহাম্মদ আক্তার হোসেন অভি ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া ফরিদের চরম অবহেলা ও অপচিকিৎসায় অন্তঃসত্ত্বা নিশি ও তার নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা ও বিএমডিসিতে অভিযোগ জানানো হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিএমডিসি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য এই দুই চিকিৎসকের নিবন্ধন সাময়িকভাবে স্থগিত করে এবং জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি প্রচার করে।

নিহত নিশির বাবা এম এ আউয়াল বলেন, ‘বিএমডিসির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই দুই চিকিৎসক বিভিন্ন হাসপাতাল ও ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়মিত প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যেই চিকিৎসক আক্তার হোসেনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং আইনের পরিপন্থী।’

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ওই চিকিৎসকের পদোন্নতি অবিলম্বে স্থগিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে লাইসেন্স ছাড়া চেম্বার বন্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


সেই চিকিৎসক দম্পতির শাস্তি চাইলো ভুক্তভোগী পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নোয়াখালীতে চিকিৎসকের অবহেলায় মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসকের চিকিৎসা সনদ (লাইসেন্স) স্থগিত করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)। তবে অভিযোগ উঠেছে, লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও ওই চিকিৎসক দম্পতি নিয়মিত রোগী দেখছেন এবং তাদের মধ্যে একজনকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পদোন্নতিও দিয়েছে। এর প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

নোয়াখালী প্রেসক্লাবের শহীদ উদ্দিন এস্কান্দার কচি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত উম্মে সালমা ওরফে নিশির বাবা ও গণমাধ্যমকর্মী এম এ আউয়াল।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, চিকিৎসক মোহাম্মদ আক্তার হোসেন অভি ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া ফরিদের চরম অবহেলা ও অপচিকিৎসায় অন্তঃসত্ত্বা নিশি ও তার নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা ও বিএমডিসিতে অভিযোগ জানানো হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিএমডিসি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য এই দুই চিকিৎসকের নিবন্ধন সাময়িকভাবে স্থগিত করে এবং জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি প্রচার করে।

নিহত নিশির বাবা এম এ আউয়াল বলেন, ‘বিএমডিসির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই দুই চিকিৎসক বিভিন্ন হাসপাতাল ও ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়মিত প্র্যাকটিস চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যেই চিকিৎসক আক্তার হোসেনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং আইনের পরিপন্থী।’

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ওই চিকিৎসকের পদোন্নতি অবিলম্বে স্থগিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে লাইসেন্স ছাড়া চেম্বার বন্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত