মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ৪১টি পদের মধ্যে ২৫টিই শূন্য রয়েছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে নেই কোনো প্রসূতি ও অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ। ফলে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা শত শত দরিদ্র মানুষ ও চা-বাগানের শ্রমিকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অতিরিক্ত রোগীর চাপে শয্যা না পেয়ে অনেককে হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে এই হাসপাতালটি ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও গত ১৪ বছরেও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো পূরণ করা হয়নি। বর্তমানে অনুমোদিত ২২০টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১৫৩ জন এবং শূন্য রয়েছে ৬৭টি পদ। এর মধ্যে ১২ জন জুনিয়র কনসালট্যান্টের মধ্যে আছেন মাত্র ৪ জন। অন্যদিকে, মেডিকেল অফিসার ও সহকারী সার্জনের ২৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১২ জন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় স্বাভাবিক প্রসব করানো সম্ভব হলেও জটিল ও অস্ত্রোপচার (সিজার) প্রয়োজন এমন অন্তঃসত্ত্বা নারীদের সরাসরি মৌলভীবাজার জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হচ্ছে। হাসপাতালে আধুনিক এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন থাকলেও তা সচল করার মতো কোনো রেডিওগ্রাফার বা সনোলজিস্ট নেই। ফলে গরিব রোগীদের চড়া মূল্যে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে।
এছাড়া পুরো প্যাথলজি বিভাগ চলছে মাত্র একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিয়ে, যার একার পক্ষে প্রতিদিনের শত শত নমুনা পরীক্ষা ও রিপোর্ট দেওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সিনথিয়া তাসমিন জানান, নানা সংকটের মধ্যেও তারা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রয়োজনীয় জনবল চেয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত চিঠি পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ৪১টি পদের মধ্যে ২৫টিই শূন্য রয়েছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে নেই কোনো প্রসূতি ও অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ। ফলে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা শত শত দরিদ্র মানুষ ও চা-বাগানের শ্রমিকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অতিরিক্ত রোগীর চাপে শয্যা না পেয়ে অনেককে হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে এই হাসপাতালটি ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও গত ১৪ বছরেও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো পূরণ করা হয়নি। বর্তমানে অনুমোদিত ২২০টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ১৫৩ জন এবং শূন্য রয়েছে ৬৭টি পদ। এর মধ্যে ১২ জন জুনিয়র কনসালট্যান্টের মধ্যে আছেন মাত্র ৪ জন। অন্যদিকে, মেডিকেল অফিসার ও সহকারী সার্জনের ২৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১২ জন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় স্বাভাবিক প্রসব করানো সম্ভব হলেও জটিল ও অস্ত্রোপচার (সিজার) প্রয়োজন এমন অন্তঃসত্ত্বা নারীদের সরাসরি মৌলভীবাজার জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হচ্ছে। হাসপাতালে আধুনিক এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন থাকলেও তা সচল করার মতো কোনো রেডিওগ্রাফার বা সনোলজিস্ট নেই। ফলে গরিব রোগীদের চড়া মূল্যে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে।
এছাড়া পুরো প্যাথলজি বিভাগ চলছে মাত্র একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিয়ে, যার একার পক্ষে প্রতিদিনের শত শত নমুনা পরীক্ষা ও রিপোর্ট দেওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সিনথিয়া তাসমিন জানান, নানা সংকটের মধ্যেও তারা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রয়োজনীয় জনবল চেয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত চিঠি পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি।

আপনার মতামত লিখুন