সংবাদ

মেগা প্রকল্পের সুফল কই? ডুবল চট্টগ্রাম


মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম

মেগা প্রকল্পের সুফল কই? ডুবল চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে স্থবির সড়ক ও জনপদ। ছবি : সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে আবারও তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরী।

র‌বিবার (১৬ আগস্ট) রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে নগরের নিচু এলাকাগুলোয় কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা।

নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), সিটি কর্পোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, প্রকল্পগুলোর কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এসব প্রকল্পের সুফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী।

তাদের দাবি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করার পরও সামান্য বৃষ্টিতে কেন সড়ক ও বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তার জবাব পাওয়া জরুরি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের চকবাজার, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, শান্তিবাগ ও প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানের নিচতলায় পানি ঢুকে পড়ায় মালামাল নষ্ট হচ্ছে। গণপরিবহন সংকটের পাশাপাশি রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় দুই থেকে তিন গুণ বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া জানান, সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা - এই তিন ঘণ্টাতেই ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আরও দুই থেকে তিন দিন এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

নগরবাসীর মতে, শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না; নালা-নর্দমার সক্ষমতা বাড়ানো এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের দিকেও নজর দিতে হবে। নতুবা বিপুল অর্থ ব্যয়ের সুফল মিলবে না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


মেগা প্রকল্পের সুফল কই? ডুবল চট্টগ্রাম

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে আবারও তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম নগরী।

র‌বিবার (১৬ আগস্ট) রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে নগরের নিচু এলাকাগুলোয় কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা।

নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), সিটি কর্পোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, প্রকল্পগুলোর কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এসব প্রকল্পের সুফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী।

তাদের দাবি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করার পরও সামান্য বৃষ্টিতে কেন সড়ক ও বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তার জবাব পাওয়া জরুরি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের চকবাজার, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, শান্তিবাগ ও প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানের নিচতলায় পানি ঢুকে পড়ায় মালামাল নষ্ট হচ্ছে। গণপরিবহন সংকটের পাশাপাশি রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় দুই থেকে তিন গুণ বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া জানান, সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা - এই তিন ঘণ্টাতেই ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আরও দুই থেকে তিন দিন এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

নগরবাসীর মতে, শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না; নালা-নর্দমার সক্ষমতা বাড়ানো এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের দিকেও নজর দিতে হবে। নতুবা বিপুল অর্থ ব্যয়ের সুফল মিলবে না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত