নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় এক ব্র্যাককর্মী, এক গৃহবধূ ও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাউদুল ইসলাম নামের এক যুবক সুবর্ণচরের চরজব্বর ইউনিয়নে ব্র্যাকের কাঞ্চন বাজার শাখায় কর্মসূচি সহকারী (পিএ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি অফিসের পাশের একটি কক্ষে থাকতেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে শরীর ভালো লাগছে না জানিয়ে তিনি অফিসের গেস্টরুমের চাবি নিয়ে সেখানে ঘুমাতে যান। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে পিয়ন চাবির জন্য গেস্টরুমে গেলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। নিহত দাউদুল ফেনী সদর উপজেলার এলাহীগঞ্জ বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে।
এদিকে চরজব্বর ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামে তামান্না আক্তার (২৩) নামের এক গৃহবধূ নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তবে ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লার সেনানিবাস এলাকায় পৌঁছালে তার মৃত্যু হয়। তামান্না ওই গ্রামের রিপনের স্ত্রী।
অন্যদিকে চরআমানউল্যাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে হামিম (৩) নামের এক শিশু বসতবাড়ির পুকুরে ডুবে মারা গেছে। হামিম ওই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, দাউদুল ইসলাম ও তামান্না আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দাউদুলের আত্মহত্যার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন