সংবাদ

৭ দফা দাবিতে গাইবান্ধায় দলিল লেখকদের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০০ পিএম

৭ দফা দাবিতে গাইবান্ধায় দলিল লেখকদের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি
ছবি : সংবাদ

দলিল লেখক পেশার মর্যাদা বৃদ্ধি ও সাত দফা দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে গাইবান্ধা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দলিল লেখকেরা অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তা মল্লিক। এ সময় বক্তারা বলেন, দলিল লেখকদের পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য দাবি আদায়ে তারা দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। এসব দাবি মানা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার মাধ্যমে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী বরাবর সাত দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, আব্দুল করিম, হামিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মিথেন ও রিয়াজ আহমেদসহ সমিতির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দলিল লেখকদের সাত দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - দলিল নিবন্ধন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, দলিলপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা বাস্তবায়ন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতীত অন্য কাউকে দিয়ে দলিল মুসাবিদা না করা, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ছাড়া লাইসেন্স প্রদান না করা, সরকারি খরচে বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠন করা।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সমাবেশে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন ও ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তাদের এসব দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


৭ দফা দাবিতে গাইবান্ধায় দলিল লেখকদের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দলিল লেখক পেশার মর্যাদা বৃদ্ধি ও সাত দফা দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

বেলা ১২টার দিকে গাইবান্ধা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দলিল লেখকেরা অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তা মল্লিক। এ সময় বক্তারা বলেন, দলিল লেখকদের পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য দাবি আদায়ে তারা দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। এসব দাবি মানা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার মাধ্যমে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী বরাবর সাত দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, আব্দুল করিম, হামিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম মিথেন ও রিয়াজ আহমেদসহ সমিতির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দলিল লেখকদের সাত দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - দলিল নিবন্ধন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, দলিলপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা বাস্তবায়ন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতীত অন্য কাউকে দিয়ে দলিল মুসাবিদা না করা, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ছাড়া লাইসেন্স প্রদান না করা, সরকারি খরচে বসার ও নামাজের স্থান নির্মাণ এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠন করা।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সমাবেশে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন ও ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তাদের এসব দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত