সংবাদ

মেট্রোরেলের নিচে সিসি ক্যামেরা আছে কি না, জানতে চায় হাইকোর্ট


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম

মেট্রোরেলের নিচে সিসি ক্যামেরা আছে কি না, জানতে চায় হাইকোর্ট
ছবি: এআই

মেট্রোরেল লাইনের নিচের অংশ পুরোপুরি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতাভুক্ত কি না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঁঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মেট্রোরেলের সার্বিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ও নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির আট দফা সুপারিশ বাস্তবায়নের প্রতিবেদন দেখে এই আদেশ দেওয়া হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।

শুনানির পর আইনজীবী তানভীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুরো মেট্রোরেলের নিচের অংশে সিসি ক্যামেরা আছে কি না, যদি না থাকে তবে তা কীভাবে নজরদারি করা হয়- এ বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছেন আদালত। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে এই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’

২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী আবুল কালামের মৃত্যু হয়। এর এক বছর আগেও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক তিনটি রিট আবেদন করা হয়।

পরে ২৯ অক্টোবর এসব রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদেশ দেন হাইকোর্ট। আদেশে মেট্রোরেল প্রকল্পের লাইন, পিলারসহ কাঠামোগত নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব পর্যালোচনার জন্য সড়ক পরিবহন সচিবকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি গত মাসের শুরুতে প্রতিবেদন দেয়। মেট্রোরেলের বিভিন্ন স্থানে দেখা দেওয়া ত্রুটি দ্রুত মেরামতে আট দফা জরুরি সুপারিশ ছিল প্রতিবেদনে। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ও পদ্ধতিগত করণীয় বিষয়েও সুপারিশ ছিল।

এর ভিত্তিতে গত ১৫ জুলাই হাইকোর্ট জরুরি সুপারিশগুলো এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় ডিএমটিসিএলকে। সম্প্রতি ডিএমটিসিএল প্রতিবেদন দাখিল করলে আজ রবিবার শুনানিতে তা ওঠে। প্রতিবেদনে জরুরি সুপারিশগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর আদালত সিসি ক্যামেরা নিয়ে নতুন এই আদেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


মেট্রোরেলের নিচে সিসি ক্যামেরা আছে কি না, জানতে চায় হাইকোর্ট

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মেট্রোরেল লাইনের নিচের অংশ পুরোপুরি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতাভুক্ত কি না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঁঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মেট্রোরেলের সার্বিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ও নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির আট দফা সুপারিশ বাস্তবায়নের প্রতিবেদন দেখে এই আদেশ দেওয়া হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।

শুনানির পর আইনজীবী তানভীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুরো মেট্রোরেলের নিচের অংশে সিসি ক্যামেরা আছে কি না, যদি না থাকে তবে তা কীভাবে নজরদারি করা হয়- এ বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছেন আদালত। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে এই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’

২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী আবুল কালামের মৃত্যু হয়। এর এক বছর আগেও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক তিনটি রিট আবেদন করা হয়।

পরে ২৯ অক্টোবর এসব রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদেশ দেন হাইকোর্ট। আদেশে মেট্রোরেল প্রকল্পের লাইন, পিলারসহ কাঠামোগত নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব পর্যালোচনার জন্য সড়ক পরিবহন সচিবকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি গত মাসের শুরুতে প্রতিবেদন দেয়। মেট্রোরেলের বিভিন্ন স্থানে দেখা দেওয়া ত্রুটি দ্রুত মেরামতে আট দফা জরুরি সুপারিশ ছিল প্রতিবেদনে। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ও পদ্ধতিগত করণীয় বিষয়েও সুপারিশ ছিল।

এর ভিত্তিতে গত ১৫ জুলাই হাইকোর্ট জরুরি সুপারিশগুলো এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় ডিএমটিসিএলকে। সম্প্রতি ডিএমটিসিএল প্রতিবেদন দাখিল করলে আজ রবিবার শুনানিতে তা ওঠে। প্রতিবেদনে জরুরি সুপারিশগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর আদালত সিসি ক্যামেরা নিয়ে নতুন এই আদেশ দেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত