সংবাদ

যেভাবে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২১ পিএম

যেভাবে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে মার্কিন উদ্যোক্তাদের পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এই কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সোমবার সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী . আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, "আমাদের সরকার, সরকারের পলিসি এবং আমাদের ইশতেহারে যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলো আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে গত মাসে কতদূর নোটিশ করেছি, অগ্রগতি কী, বিষয়গুলো নিয়ে মূলত আলোচনা হয়েছে।"

প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের বেশ কিছু ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "আমাদের এখানে ওয়াটার সাপ্লাই, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, রিনিউয়েবল এনার্জি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা পিপিপি মডেলে বিনিয়োগ করতে পারে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিষয়টি অফিশিয়ালি নোটিশ করবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।"

দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও গভীর করতে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেছে বলেও তিনি জানান।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের ব্যাপ্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম জানান, মূলত বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ (ওয়েস্ট টু এনার্জি) উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, "আমাদের প্রচুর ময়লা-আবর্জনা প্রত্যেক সিটি করপোরেশনেই ডাম্পিং অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে চায়নার একটি কোম্পানির সঙ্গে আমরা চুক্তি করেছি, তারা আগামী ১৮-২০ মাসের মধ্যেই সেখানে প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ময়লা-আবর্জনা থেকে জাতীয় গ্রিডে দেবে।"

একই মডেলে আমেরিকান বিনিয়োগকারীরাও এগিয়ে আসতে পারেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাণিজ্য বা অন্য দ্বিপাক্ষিক চুক্তির বিষয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী পরিষ্কার করেন, সেটি পররাষ্ট্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। তারা কেবল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়েই ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন। ভবিষ্যতে দুই দেশের সচিব এবং নীতি নির্ধারক পর্যায়ের প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে পুনরায় বৈঠকে বসবেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


যেভাবে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে মার্কিন উদ্যোক্তাদের পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এই কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সোমবার সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী . আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, "আমাদের সরকার, সরকারের পলিসি এবং আমাদের ইশতেহারে যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলো আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে গত মাসে কতদূর নোটিশ করেছি, অগ্রগতি কী, বিষয়গুলো নিয়ে মূলত আলোচনা হয়েছে।"

প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের বেশ কিছু ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "আমাদের এখানে ওয়াটার সাপ্লাই, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, রিনিউয়েবল এনার্জি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা পিপিপি মডেলে বিনিয়োগ করতে পারে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিষয়টি অফিশিয়ালি নোটিশ করবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।"

দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও গভীর করতে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেছে বলেও তিনি জানান।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের ব্যাপ্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম জানান, মূলত বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ (ওয়েস্ট টু এনার্জি) উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, "আমাদের প্রচুর ময়লা-আবর্জনা প্রত্যেক সিটি করপোরেশনেই ডাম্পিং অবস্থায় আছে। এরই মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে চায়নার একটি কোম্পানির সঙ্গে আমরা চুক্তি করেছি, তারা আগামী ১৮-২০ মাসের মধ্যেই সেখানে প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ময়লা-আবর্জনা থেকে জাতীয় গ্রিডে দেবে।"

একই মডেলে আমেরিকান বিনিয়োগকারীরাও এগিয়ে আসতে পারেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাণিজ্য বা অন্য দ্বিপাক্ষিক চুক্তির বিষয়ে কোনো কথা হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী পরিষ্কার করেন, সেটি পররাষ্ট্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। তারা কেবল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়েই ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন। ভবিষ্যতে দুই দেশের সচিব এবং নীতি নির্ধারক পর্যায়ের প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে পুনরায় বৈঠকে বসবেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত