রাজধানীর মাওয়া-ঢাকা মহাসড়কে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক সোহাগ ওরফে সামসুল হক (৩০) নিহতের ঘটনায় ঘাতক গাড়িচালক শাহজাহানকে (৬০) গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ইকুরিয়া এলাকায় মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনার ১৫
দিন পর রাজধানীর শ্যামপুর
থানাধীন জুরাইন থেকে তাকে আইনের
আওতায় আনা হয়।
ঘটনার
বিবরণ দিয়ে র্যাব-১০
এর সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার জানান,
"গত ৯ আগস্ট দুপুরে
ইকুরিয়া এলাকায় মাওয়া টু ঢাকাগামী মহাসড়কের
সার্ভিস লেনে গাড়িচালক শাহজাহান
বেপরোয়া ও দ্রুত গতিতে
পেছন দিক থেকে সোহাগ
ওরফে সামসুল হককে আঘাত করে
পালিয়ে যায়। পরে সোহাগকে উদ্ধার
করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।"
তিনি
আরও জানান, মর্মান্তিক এই ঘটনার পর
নিহতের বাবা বাদী হয়ে
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের
করেন। পরবর্তীতে সেই এজাহারের ভিত্তিতে
সড়ক পরিবহন আইনে একটি নিয়মিত
মামলা রুজু হয়। মামলা
দায়েরের পর থেকেই আত্মগোপনে
চলে যায় চালক শাহজাহান।
অভিযুক্তকে
গ্রেফতারের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন,
"সোমবার বেলা ১২টা ৪৫
মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায়
ঢাকার শ্যামপুর থানাধীন জুরাইন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গাড়িচালক শাহজাহানকে
গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার
আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায়
হস্তান্তর করা হয়েছে।"
ঘাতক
ড্রাইভার গ্রেফতারের পর নিহত সোহাগের
পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে
কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাওয়া-ঢাকা মহাসড়কে বেপরোয়া
গতিতে গাড়ি চালানো থামানো
এবং ঘাতক ড্রাইভারের কঠোর
শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ
এলাকাবাসী।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর মাওয়া-ঢাকা মহাসড়কে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক সোহাগ ওরফে সামসুল হক (৩০) নিহতের ঘটনায় ঘাতক গাড়িচালক শাহজাহানকে (৬০) গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ইকুরিয়া এলাকায় মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনার ১৫
দিন পর রাজধানীর শ্যামপুর
থানাধীন জুরাইন থেকে তাকে আইনের
আওতায় আনা হয়।
ঘটনার
বিবরণ দিয়ে র্যাব-১০
এর সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার জানান,
"গত ৯ আগস্ট দুপুরে
ইকুরিয়া এলাকায় মাওয়া টু ঢাকাগামী মহাসড়কের
সার্ভিস লেনে গাড়িচালক শাহজাহান
বেপরোয়া ও দ্রুত গতিতে
পেছন দিক থেকে সোহাগ
ওরফে সামসুল হককে আঘাত করে
পালিয়ে যায়। পরে সোহাগকে উদ্ধার
করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।"
তিনি
আরও জানান, মর্মান্তিক এই ঘটনার পর
নিহতের বাবা বাদী হয়ে
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের
করেন। পরবর্তীতে সেই এজাহারের ভিত্তিতে
সড়ক পরিবহন আইনে একটি নিয়মিত
মামলা রুজু হয়। মামলা
দায়েরের পর থেকেই আত্মগোপনে
চলে যায় চালক শাহজাহান।
অভিযুক্তকে
গ্রেফতারের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন,
"সোমবার বেলা ১২টা ৪৫
মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায়
ঢাকার শ্যামপুর থানাধীন জুরাইন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গাড়িচালক শাহজাহানকে
গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার
আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায়
হস্তান্তর করা হয়েছে।"
ঘাতক
ড্রাইভার গ্রেফতারের পর নিহত সোহাগের
পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে
কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাওয়া-ঢাকা মহাসড়কে বেপরোয়া
গতিতে গাড়ি চালানো থামানো
এবং ঘাতক ড্রাইভারের কঠোর
শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ
এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন