কোস্টগার্ড
সদস্য পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার
চার মাস পার হলেও
বাগেরহাটের মোটরসাইকেল চালক মিরাজ শেখের
কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় তাকে
দ্রুত সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার
ও হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি।
সোমবার
জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী
মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
এই আকুতি জানানো হয়।
সংবাদ
সম্মেলনে মিরাজের বোন লিজা ইসলাম
লিখিত অভিযোগে জানান, গত ১০ এপ্রিল
সন্ধ্যায় বাগেরহাটের জয়মনি ঠোড়ার কোচঘাট থেকে সিভিল পোশাকধারী
দুই কোস্টগার্ড সদস্য ও মিজান মাঝি
তাকে নৌকায় তুলে হারবাড়িয়া স্টেশনে
নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর
পর কোস্টগার্ড লেখা একটি স্পিডবোটে
৮-১০ জন ইউনিফর্ম
পরা সদস্য তাকে তুলে নিয়ে
যান।
লিজা
ইসলাম বলেন, "কোস্টগার্ড সদস্য ও মিজান মাঝি
পরে এসে মিরাজের মোটরসাইকেলও
নিয়ে যায়। ঘটনার পর
যোগাযোগ করা হলে কোস্টগার্ড
থেকে জানানো হয়েছিল অপরাধ না পাওয়া গেলে
তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।"
নিখোঁজ
মিরাজের মা তাসলিমা বেগম
অঝোরে কেঁদে বলেন, "কোস্টগার্ডের সদস্যরা ফোনে আমাকে বলেছিল,
তিন দিন পর ছেলেকে
ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু পরদিন
তাদের অফিসে গিয়ে কান্নাকাটি করেও
আর ছেলের দেখা পাইনি। আমি
আমার ছেলেকে ফিরে চাই।"
অন্যদিকে
মিরাজের স্ত্রী মুক্তা ফাতেমা অভিযোগ করে বলেন, "স্বামীকে
ফিরে পেতে আমরা মানববন্ধন
করতে গেলে উল্টো আমাদের
ওপর লাঠিচার্জ করা হয়, মারধর
করে দুটি মিথ্যা মামলা
দিয়ে ২৭ দিন জেলে
রাখা হয়।"
সংবাদ
সম্মেলনে মানবাধিকার কর্মী নুর খান লিটন
বলেন, "আইন অনুযায়ী আটক
ব্যক্তির পরিচয় ও অপরাধের তথ্য
জানানো বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আইনের সঠিক প্রয়োগ হওয়া
উচিত। মিরাজ শেখকে সুস্থ দেহে পরিবারের কাছে
ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"
তবে
সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সংস্থাটির মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান,
"বাংলাদেশ কোস্টগার্ড মিরাজ শেখকে কখনোই আটক বা গুম
করেনি। অনুসন্ধানে এমন কোনো প্রমাণ
মেলেনি। মিরাজ বনদস্যু চক্র ও মাদকের
সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং
মুক্তিপণের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে
অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে নিখোঁজ হতে পারেন।"
তাকে
খুঁজে বের করতে আইনি
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ
করেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
কোস্টগার্ড
সদস্য পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার
চার মাস পার হলেও
বাগেরহাটের মোটরসাইকেল চালক মিরাজ শেখের
কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় তাকে
দ্রুত সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার
ও হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি।
সোমবার
জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী
মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
এই আকুতি জানানো হয়।
সংবাদ
সম্মেলনে মিরাজের বোন লিজা ইসলাম
লিখিত অভিযোগে জানান, গত ১০ এপ্রিল
সন্ধ্যায় বাগেরহাটের জয়মনি ঠোড়ার কোচঘাট থেকে সিভিল পোশাকধারী
দুই কোস্টগার্ড সদস্য ও মিজান মাঝি
তাকে নৌকায় তুলে হারবাড়িয়া স্টেশনে
নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর
পর কোস্টগার্ড লেখা একটি স্পিডবোটে
৮-১০ জন ইউনিফর্ম
পরা সদস্য তাকে তুলে নিয়ে
যান।
লিজা
ইসলাম বলেন, "কোস্টগার্ড সদস্য ও মিজান মাঝি
পরে এসে মিরাজের মোটরসাইকেলও
নিয়ে যায়। ঘটনার পর
যোগাযোগ করা হলে কোস্টগার্ড
থেকে জানানো হয়েছিল অপরাধ না পাওয়া গেলে
তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।"
নিখোঁজ
মিরাজের মা তাসলিমা বেগম
অঝোরে কেঁদে বলেন, "কোস্টগার্ডের সদস্যরা ফোনে আমাকে বলেছিল,
তিন দিন পর ছেলেকে
ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু পরদিন
তাদের অফিসে গিয়ে কান্নাকাটি করেও
আর ছেলের দেখা পাইনি। আমি
আমার ছেলেকে ফিরে চাই।"
অন্যদিকে
মিরাজের স্ত্রী মুক্তা ফাতেমা অভিযোগ করে বলেন, "স্বামীকে
ফিরে পেতে আমরা মানববন্ধন
করতে গেলে উল্টো আমাদের
ওপর লাঠিচার্জ করা হয়, মারধর
করে দুটি মিথ্যা মামলা
দিয়ে ২৭ দিন জেলে
রাখা হয়।"
সংবাদ
সম্মেলনে মানবাধিকার কর্মী নুর খান লিটন
বলেন, "আইন অনুযায়ী আটক
ব্যক্তির পরিচয় ও অপরাধের তথ্য
জানানো বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আইনের সঠিক প্রয়োগ হওয়া
উচিত। মিরাজ শেখকে সুস্থ দেহে পরিবারের কাছে
ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"
তবে
সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সংস্থাটির মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান,
"বাংলাদেশ কোস্টগার্ড মিরাজ শেখকে কখনোই আটক বা গুম
করেনি। অনুসন্ধানে এমন কোনো প্রমাণ
মেলেনি। মিরাজ বনদস্যু চক্র ও মাদকের
সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং
মুক্তিপণের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে
অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে নিখোঁজ হতে পারেন।"
তাকে
খুঁজে বের করতে আইনি
প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ
করেন।

আপনার মতামত লিখুন