প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে এবং মুসলিম পারিবারিক আইন লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় বিয়ে করায় লঘুদণ্ড পেয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের উচ্চমান সহকারী মো. শরিফুল ইসলাম।
বিভাগীয়
মামলায় অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদেশ জারির তারিখ
থেকে আগামী এক বছরের জন্য
তার বার্ষিক বর্ধিত বেতন (ইনক্রিমেন্ট) স্থগিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো.
নূরুল আনোয়ার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে
এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
অফিস
আদেশ সূত্রে জানা যায়, মো.
শরিফুল ইসলাম ২০১২ সালের ৬
এপ্রিল রেশমা খাতুনকে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে করেন। তাদের
সংসারে দুটি ছেলে সন্তান
রয়েছে। পরবর্তীতে প্রথম স্ত্রীর সম্মতি না নিয়ে এবং
বিষয়টি গোপন রেখে ২০২০
সালের ২৯ মে তিনি
সিমি আক্তার নামে আরেক নারীকে
দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এক্ষেত্রে
তিনি মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী
সংশ্লিষ্ট সালিশি পরিষদ বা চেয়ারম্যানের কাছ
থেকে কোনো আইনানুগ পূর্বানুমতিও
গ্রহণ করেননি।
স্বামীর
এমন প্রতারণার বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রী রেশমা খাতুন বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ
দায়ের করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে সরেজমিন
তদন্তে আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি
স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। এরপর সরকারি
কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা
অনুযায়ী শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়।
মামলা
প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত
১৯ জুলাই তাকে অভিযোগনামা দেওয়া
হলে ২৯ জুলাই তিনি
লিখিত জবাব প্রদান করেন
এবং ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন জানান। পরবর্তীতে ১১ আগস্ট তার
উপস্থিতিতে ব্যক্তিগত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত কর্মচারীর লিখিত জবাব, শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য, উপস্থাপিত নথিপত্র এবং সার্বিক চাকরিকাল পর্যালোচনা করে তাকে অসদাচরণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এর শাস্তিস্বরূপ আগামী এক বছরের জন্য তার বার্ষিক বর্ধিত বেতন স্থগিতের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলো।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে এবং মুসলিম পারিবারিক আইন লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় বিয়ে করায় লঘুদণ্ড পেয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের উচ্চমান সহকারী মো. শরিফুল ইসলাম।
বিভাগীয়
মামলায় অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদেশ জারির তারিখ
থেকে আগামী এক বছরের জন্য
তার বার্ষিক বর্ধিত বেতন (ইনক্রিমেন্ট) স্থগিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের
মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো.
নূরুল আনোয়ার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে
এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
অফিস
আদেশ সূত্রে জানা যায়, মো.
শরিফুল ইসলাম ২০১২ সালের ৬
এপ্রিল রেশমা খাতুনকে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে করেন। তাদের
সংসারে দুটি ছেলে সন্তান
রয়েছে। পরবর্তীতে প্রথম স্ত্রীর সম্মতি না নিয়ে এবং
বিষয়টি গোপন রেখে ২০২০
সালের ২৯ মে তিনি
সিমি আক্তার নামে আরেক নারীকে
দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এক্ষেত্রে
তিনি মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী
সংশ্লিষ্ট সালিশি পরিষদ বা চেয়ারম্যানের কাছ
থেকে কোনো আইনানুগ পূর্বানুমতিও
গ্রহণ করেননি।
স্বামীর
এমন প্রতারণার বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রী রেশমা খাতুন বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ
দায়ের করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে সরেজমিন
তদন্তে আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি
স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। এরপর সরকারি
কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা
অনুযায়ী শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়।
মামলা
প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত
১৯ জুলাই তাকে অভিযোগনামা দেওয়া
হলে ২৯ জুলাই তিনি
লিখিত জবাব প্রদান করেন
এবং ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন জানান। পরবর্তীতে ১১ আগস্ট তার
উপস্থিতিতে ব্যক্তিগত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত কর্মচারীর লিখিত জবাব, শুনানিতে দেওয়া বক্তব্য, উপস্থাপিত নথিপত্র এবং সার্বিক চাকরিকাল পর্যালোচনা করে তাকে অসদাচরণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এর শাস্তিস্বরূপ আগামী এক বছরের জন্য তার বার্ষিক বর্ধিত বেতন স্থগিতের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলো।

আপনার মতামত লিখুন