বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয় এই ভাতার আওতায় আসবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রাসঙ্গিক। সেই ভাষণে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের যে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল, বর্তমান বিশ্বের সংঘাত ও অসহিষ্ণুতা থেকে উত্তরণে তা অনুসরণের বিকল্প নেই।
অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর কখনো ফিরে না আসে। ধর্মের শান্তি ও সম্প্রীতির মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণ করে আমাদের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
বাংলাদেশের ইসলামী সংস্কৃতির উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে মহানবী (সা.) যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আমাদের জাতীয় জীবনে অনুসরণীয়।
আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস দূর করতে আপনাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও নৈতিকতায় উদ্বুদ্ধ করতে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার ও সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি ‘সিরাত স্মরণিকা’র মোড়ক উন্মোচন করেন।
/

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয় এই ভাতার আওতায় আসবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রাসঙ্গিক। সেই ভাষণে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের যে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল, বর্তমান বিশ্বের সংঘাত ও অসহিষ্ণুতা থেকে উত্তরণে তা অনুসরণের বিকল্প নেই।
অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর কখনো ফিরে না আসে। ধর্মের শান্তি ও সম্প্রীতির মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণ করে আমাদের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
বাংলাদেশের ইসলামী সংস্কৃতির উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে মহানবী (সা.) যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আমাদের জাতীয় জীবনে অনুসরণীয়।
আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস দূর করতে আপনাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও নৈতিকতায় উদ্বুদ্ধ করতে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার ও সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি ‘সিরাত স্মরণিকা’র মোড়ক উন্মোচন করেন।
/

আপনার মতামত লিখুন