সাম্প্রতিক সময়ে রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনা সেই তালিকায় নতুন করে আতঙ্ক যোগ করেছে। গত ২৩ আগস্ট রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ১২ বছরের ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই যুবক তাদের হত্যা করেছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর মাত্র কয়েক দিন আগে, গত ১৪ আগস্ট ঝিনাইদহের মহেশপুরে শখের বানু (৫৭) নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ওঠে তার ছেলে ইখলাসুর রহমানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবন ও মাদকের টাকা নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে বিরোধ ছিল। ঘটনার পর ইখলাসুরকে আটক করা হয়।
২০১৩ সালে রাজধানীর চামেলীবাগে পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্ন রহমান হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল। তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে এই হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় মাদকসেবন ও মাদকসংক্রান্ত পারিবারিক দ্বন্দ্বের বিষয়টি আলোচনায় আসে।
সামাজিক অপরাধ বাড়াচ্ছে মাদকাসক্তি
২০২২ সালে পাবনার চাটমোহরে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর মাত্র পাঁচ মাস বয়সী শিশুকে মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে আছাড় দিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। একই বছর মাদারীপুরে মাদকের টাকা নিয়ে মাকে মারধরের একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
২০২৩ সালেও এমন ঘটনা থামেনি। চট্টগ্রামের পটিয়ায় দাদি ও ফুফুকে হত্যার অভিযোগ ওঠে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মাদকের টাকা না দেওয়ায় ঘুমন্ত দাদাকে কুড়াল দিয়ে হত্যার অভিযোগ আসে। বগুড়ায় চুরি করতে গিয়ে খালা জেগে ওঠায় তাকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে এক মাদকাসক্ত ভাগ্নের বিরুদ্ধে। নরসিংদীর রায়পুরায় দেড় বছরের শিশুকন্যাকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে তার বাবার বিরুদ্ধে।
২০২৪ সালেও তালিকাটি দীর্ঘ হয়েছে। টেকনাফে মাদকের টাকা না পেয়ে মাকে হত্যার অভিযোগ, খুলনায় মাদকের টাকা নিয়ে বিরোধে বাবাকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ এবং গাজীপুরে বৃদ্ধা নানিকে হত্যা করে টাকা-স্বর্ণ নেওয়ার অভিযোগ- এসব ঘটনা দেখিয়েছে, মাদকের অর্থের কাছে কখনো কখনো পারিবারিক সম্পর্কও কতটা অসহায় হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশে মাদকের গল্প নতুন নয়। তবে এর চরিত্র বদলেছে বারবার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইতিহাসে দেখা যায়, এ দেশে আফিম, গাঁজা ও মদের ব্যবহার ছিল বহু পুরোনো। ব্রিটিশ আমলে আফিমের চাষ, বাণিজ্য ও বিক্রিকে ঘিরে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাও গড়ে উঠেছিল। পরে কোকেনসহ বিভিন্ন মাদকের বিস্তার ঠেকাতে ১৯৩০ সালে ‘ডেঞ্জারাস ড্রাগস অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করা হয়।
উচ্চ শিক্ষিতরাও ঝুঁকে পড়েছে মাদকে
এই পরিবর্তনের সঙ্গে বদলে যায় মাদকের ভৌগোলিক মানচিত্রও। একসময় মাদকের সমস্যা মূলত শহরকেন্দ্রিক ছিল। ঢাকার বস্তি, অপরাধপ্রবণ এলাকা ও নগরের নির্দিষ্ট আড্ডা থেকে ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে জেলা শহর, মহাসড়কঘেঁষা জনপদ এবং প্রত্যন্ত গ্রামে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবেই বলা হয়েছে, শুরুতে মাদকাসক্তি শহুরে জীবনে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরে তা গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে।
ইয়াবা এই বিস্তারের চিত্রটিই সবচেয়ে নাটকীয়ভাবে বদলে দিয়েছে। ২০০৯ সালের পর ইয়াবার বিস্তার দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০২২ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবা দেশের ‘প্রতিটি প্রান্তে’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ওই বছর টেকনাফে একেকটি ইয়াবা আটকের ঘটনায় গড়ে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার এবং ঢাকায় ২০০ থেকে ৫ হাজার বড়ি পাওয়া গেছে।
অর্থাৎ মাদকের পথটিও যেন বদলে গেছে- সীমান্ত থেকে শহর, শহর থেকে জেলা, জেলা থেকে গ্রাম, আর গ্রাম থেকে পরিবারের দরজা পর্যন্ত। একসময় যে সমস্যা দূরের কোনো বস্তি, অপরাধী চক্র কিংবা নগরের অন্ধকার গলির বলে মনে করা হতো, এখন তার অভিঘাত পৌঁছে গেছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের শোবার ঘরেও।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মাদকাসক্তিকে শুধু ‘খারাপ অভ্যাস’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বিশেষ করে মেথামফেটামিনজাতীয় মাদক- যেমন ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ- দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের পুরস্কারব্যবস্থা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আত্মসংযমের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বাস্তবতা বিচার করার ক্ষমতা দুর্বল হওয়া, সন্দেহপ্রবণতা, আবেগের বিস্ফোরণ ও আক্রমণাত্মক আচরণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
শুধু অভিযান দিয়ে এই সংকটের সমাধান হবে না। মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে সীমান্ত ও চোরাচালানবিরোধী কঠোর ব্যবস্থা যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন আসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ বাড়ানো। পরিবারের সদস্যদেরও বুঝতে হবে- মাদকাসক্তিকে লুকিয়ে রাখা বা বারবার টাকা দিয়ে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সমাধান নয়।
রংপুরের চারটি নিথর মুখ কিংবা ঝিনাইদহের শখের বানুর রক্তাক্ত শরীর তাই শুধু দুটি হত্যাকাণ্ডের খবর নয়। এগুলো সমাজের জন্য সতর্কবার্তা- মাদক যখন ঘরে ঢোকে, তখন সবচেয়ে কাছের মানুষটিও কখনো কখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে পড়ে। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ দরকার। সীমান্তেও মাদকের পথ বন্ধ করা জরুরি। কিন্তু তার চেয়েও জরুরি, পরিবারের দরজা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া নেশাটিকে সেখানেই থামিয়ে দেওয়া।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
সাম্প্রতিক সময়ে রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনা সেই তালিকায় নতুন করে আতঙ্ক যোগ করেছে। গত ২৩ আগস্ট রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ১২ বছরের ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই যুবক তাদের হত্যা করেছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর মাত্র কয়েক দিন আগে, গত ১৪ আগস্ট ঝিনাইদহের মহেশপুরে শখের বানু (৫৭) নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ওঠে তার ছেলে ইখলাসুর রহমানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবন ও মাদকের টাকা নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে বিরোধ ছিল। ঘটনার পর ইখলাসুরকে আটক করা হয়।
২০১৩ সালে রাজধানীর চামেলীবাগে পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্ন রহমান হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল। তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে এই হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় মাদকসেবন ও মাদকসংক্রান্ত পারিবারিক দ্বন্দ্বের বিষয়টি আলোচনায় আসে।
সামাজিক অপরাধ বাড়াচ্ছে মাদকাসক্তি
২০২২ সালে পাবনার চাটমোহরে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর মাত্র পাঁচ মাস বয়সী শিশুকে মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে আছাড় দিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। একই বছর মাদারীপুরে মাদকের টাকা নিয়ে মাকে মারধরের একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
২০২৩ সালেও এমন ঘটনা থামেনি। চট্টগ্রামের পটিয়ায় দাদি ও ফুফুকে হত্যার অভিযোগ ওঠে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মাদকের টাকা না দেওয়ায় ঘুমন্ত দাদাকে কুড়াল দিয়ে হত্যার অভিযোগ আসে। বগুড়ায় চুরি করতে গিয়ে খালা জেগে ওঠায় তাকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে এক মাদকাসক্ত ভাগ্নের বিরুদ্ধে। নরসিংদীর রায়পুরায় দেড় বছরের শিশুকন্যাকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে তার বাবার বিরুদ্ধে।
২০২৪ সালেও তালিকাটি দীর্ঘ হয়েছে। টেকনাফে মাদকের টাকা না পেয়ে মাকে হত্যার অভিযোগ, খুলনায় মাদকের টাকা নিয়ে বিরোধে বাবাকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ এবং গাজীপুরে বৃদ্ধা নানিকে হত্যা করে টাকা-স্বর্ণ নেওয়ার অভিযোগ- এসব ঘটনা দেখিয়েছে, মাদকের অর্থের কাছে কখনো কখনো পারিবারিক সম্পর্কও কতটা অসহায় হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশে মাদকের গল্প নতুন নয়। তবে এর চরিত্র বদলেছে বারবার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইতিহাসে দেখা যায়, এ দেশে আফিম, গাঁজা ও মদের ব্যবহার ছিল বহু পুরোনো। ব্রিটিশ আমলে আফিমের চাষ, বাণিজ্য ও বিক্রিকে ঘিরে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাও গড়ে উঠেছিল। পরে কোকেনসহ বিভিন্ন মাদকের বিস্তার ঠেকাতে ১৯৩০ সালে ‘ডেঞ্জারাস ড্রাগস অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করা হয়।
উচ্চ শিক্ষিতরাও ঝুঁকে পড়েছে মাদকে
এই পরিবর্তনের সঙ্গে বদলে যায় মাদকের ভৌগোলিক মানচিত্রও। একসময় মাদকের সমস্যা মূলত শহরকেন্দ্রিক ছিল। ঢাকার বস্তি, অপরাধপ্রবণ এলাকা ও নগরের নির্দিষ্ট আড্ডা থেকে ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে জেলা শহর, মহাসড়কঘেঁষা জনপদ এবং প্রত্যন্ত গ্রামে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবেই বলা হয়েছে, শুরুতে মাদকাসক্তি শহুরে জীবনে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরে তা গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে।
ইয়াবা এই বিস্তারের চিত্রটিই সবচেয়ে নাটকীয়ভাবে বদলে দিয়েছে। ২০০৯ সালের পর ইয়াবার বিস্তার দ্রুত বাড়তে থাকে। ২০২২ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবা দেশের ‘প্রতিটি প্রান্তে’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ওই বছর টেকনাফে একেকটি ইয়াবা আটকের ঘটনায় গড়ে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার এবং ঢাকায় ২০০ থেকে ৫ হাজার বড়ি পাওয়া গেছে।
অর্থাৎ মাদকের পথটিও যেন বদলে গেছে- সীমান্ত থেকে শহর, শহর থেকে জেলা, জেলা থেকে গ্রাম, আর গ্রাম থেকে পরিবারের দরজা পর্যন্ত। একসময় যে সমস্যা দূরের কোনো বস্তি, অপরাধী চক্র কিংবা নগরের অন্ধকার গলির বলে মনে করা হতো, এখন তার অভিঘাত পৌঁছে গেছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের শোবার ঘরেও।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মাদকাসক্তিকে শুধু ‘খারাপ অভ্যাস’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বিশেষ করে মেথামফেটামিনজাতীয় মাদক- যেমন ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ- দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের পুরস্কারব্যবস্থা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আত্মসংযমের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বাস্তবতা বিচার করার ক্ষমতা দুর্বল হওয়া, সন্দেহপ্রবণতা, আবেগের বিস্ফোরণ ও আক্রমণাত্মক আচরণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
শুধু অভিযান দিয়ে এই সংকটের সমাধান হবে না। মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে সীমান্ত ও চোরাচালানবিরোধী কঠোর ব্যবস্থা যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন আসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ বাড়ানো। পরিবারের সদস্যদেরও বুঝতে হবে- মাদকাসক্তিকে লুকিয়ে রাখা বা বারবার টাকা দিয়ে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সমাধান নয়।
রংপুরের চারটি নিথর মুখ কিংবা ঝিনাইদহের শখের বানুর রক্তাক্ত শরীর তাই শুধু দুটি হত্যাকাণ্ডের খবর নয়। এগুলো সমাজের জন্য সতর্কবার্তা- মাদক যখন ঘরে ঢোকে, তখন সবচেয়ে কাছের মানুষটিও কখনো কখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে পড়ে। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ দরকার। সীমান্তেও মাদকের পথ বন্ধ করা জরুরি। কিন্তু তার চেয়েও জরুরি, পরিবারের দরজা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া নেশাটিকে সেখানেই থামিয়ে দেওয়া।

আপনার মতামত লিখুন