সংবাদ

আজকের জাতীয় দৈনিকগুলোর শিরোনাম


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৫ পিএম

আজকের জাতীয় দৈনিকগুলোর শিরোনাম
বক্তব্য নিয়ে সংসদে হইচই, তোপের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - সংবাদ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে জাতীয় সংসদে তোপের মুখে পড়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের সদস্যরা ইই চই শুরু করলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সংসদ। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বারবার সদস্যদের নিজ নিজ আসনে বসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে অনুরোধ করলেও বেশ কিছুক্ষণ হই চই চলতে থাকে। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হলে স্পিকার তাকে ধন্যবাদ জানান এবং বিরোধীদলীয় নেতাকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দিলে পরিস্থিতির অবসান হয়।

গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের সময় এ ঘটনা ঘটে। 

৬২ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত, বেড়েছে লোডশেডিং - প্রথম আলো

চলমান গ্যাস–সংকটের সঙ্গে কয়লা ও তরল জ্বালানির সরবরাহস্বল্পতা দেখা দিয়েছে। এর সঙ্গে হঠাৎ করে দুটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। আর সব সময়ই কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণে থাকে, এখনো আছে। সব মিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। এ সময় গরমে চাহিদা বাড়তে থাকায় বেড়েছে লোডশেডিং, বাড়ছে ভোগান্তি।

দেশে এখন মোট বিদ্যুৎকেন্দ্র ১৩৭টি। এর মধ্যে ৬৪টি কেন্দ্র সরকারি, ৭০টি বেসরকারি এবং ৩টি কেন্দ্র ভারত ও চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বলছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ৬২টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। যার মধ্যে ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ ছিল। বাকিগুলো সীমিত সক্ষমতায় উৎপাদন করেছে। ফলে গতকাল দিনের বেলাতেই সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে ৩ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট। 

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য কমেছে ৮.৩২ শতাংশ - বণিক বার্তা

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০২৫-২৬ ভারতীয় অর্থবছরে কমেছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাণিজ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের মোট বাণিজ্য ছিল ১ হাজার ৩৪৯ কোটি ৩ লাখ ডলার (১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা, ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকা হিসাবে)। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ১ হাজার ২৩৬ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার (১ লাখ ৫২ হাজার ১২১ কোটি টাকা)।

বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলোর তথ্যেও দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য কমার চিত্র পাওয়া যায়। যশোরের বেনাপোল দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর। বেনাপোল কাস্টম হাউজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে ১৪ লাখ ২ হাজার ১৪৪ টন পণ্য। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০৯ টন। অর্থাৎ এক বছরে আমদানি কমেছে প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টন। একই সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, ফল, শাড়ি, থ্রি-পিসসহ উচ্চ শুল্কের আওতাভুক্ত বিভিন্ন পণ্য আমদানিও কমেছে। 

পৌনে তিন লাখ কোটি টাকার ব্যবস্থাপনার চাপে সরকার - আজকের পত্রিকা

ঘাটতি থাকায় সরকারকে প্রতিবছরই ঋণ করে বাজেট বাস্তবায়ন করতে হয়। আবার সেই ঋণ শোধও করতে হয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এমন পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি সরকারি সিকিউরিটিজের মেয়াদ পূর্তি হচ্ছে। এতে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মোট ২ লাখ ৮৩ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকার সরকারি সিকিউরিটিজের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বল্পমেয়াদি ট্রেজারি বিল, যার পরিমাণ ১ লাখ ৯৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এটা সর্বোচ্চ। 


আমন্ত্রণ না পেলেও ইতিবাচক সরকার - কালের কন্ঠ

মক্কা প্রতিরক্ষা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ। তবে চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হলে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

তিনি বলেছেন, মক্কা প্যাক্ট বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা এবং এটি মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ফলে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলে সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। তবে এরই মধ্যে বাংলাদেশের এই জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে চলছে নানা তর্ক-বিতর্ক। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির ব্যপ্তি, লাভ-ক্ষতি ও বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির কথা চিন্তা করেই এই জোটে যাওয়ার কথা ভাবতে হবে। 


মেগা বিদ্যুৎ প্রকল্পের পথেই সরকার - দেশ রুপান্তর

জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পথে হাঁটছে সরকার। এর মধ্যে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া দুই মেগা প্রকল্পও রয়েছে। মাতারবাড়ি ও পায়রাতে হবে দুটি কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র। একই সঙ্গে ভোলায় নির্মাণ করা হবে দুটি গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে শেখ হাসিনা সরকারের বিদ্যুৎ নীতির কঠোর সমালোচনা চলছে। তবে এর মধ্যেই নতুন কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পিডিবি ও বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, এরই মধ্যে সরকার বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হতে পিডিবিকে নির্দেশ দিয়েছে।


আদানি চুক্তির ফাঁদে বছরে বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা - নয়া দিগন্ত

ভারতের আদানি পাওয়ারের সাথে বাংলাদেশের ২৫ বছর মেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি এখন বড় ধরনের আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় পর্যালোচনা কমিটির অনুসন্ধানে চুক্তির মূল্য নির্ধারণ, ঝুঁকি বণ্টন এবং বিভিন্ন শর্তে বাংলাদেশের স্বার্থের তুলনায় আদানি পাওয়ারকে বেশি সুবিধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। কমিটির হিসাবে, অন্যান্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ কেনার তুলনায় আদানির বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে প্রায় ৪ থেকে ৫ সেন্ট বেশি। এর ফলে বাংলাদেশকে বছরে অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমান বিনিময় হারে যার পরিমাণ আনুমানিক পাঁচ থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা। আর চুক্তি বহাল থাকলে ২৫ বছরে বাড়তি ব্যয় করতে হবে সোয়া লাখ কোটি টাকা। 


অপপ্রচার রোধে মাঠে থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর - মানবজমিন

সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রোধে সরকারদলীয় এমপিদের মাঠে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলাকে প্রাধান্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপি’র সংসদীয়

দলের বৈঠক। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সদস্যদের সভাকক্ষে বৈঠকে এ নির্দেশনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে তৃণমূলের মানুষের কাছে সরকারের অবস্থান সঠিকভাবে তুলে ধরা এবং যেকোনো ধরনের অপপ্রচারের কড়া জবাব দেয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দেয়া হয়। 

আইনশৃঙ্খলা দেখার দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপ - সমকাল

দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি, মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি এবং সমন্বয়ের দায়িত্ব ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দেওয়া হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট জেলার উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমেও পরামর্শ দেবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়ন বরাদ্দ কাগজে-কলমে থাকলেও দুর্নীতির মাধ্যমে তা লুটপাট করা হয়। এসব অর্থের একাংশ পাচার করা হয়েছে বিদেশে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।  

সরকারকে সময় দিতে হবে - বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে এক ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি এমন একসময় সরকার গঠন করে যখন বাংলাদেশ পথহারা, বিপন্ন, আশাহীন। দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর, সমাজ অস্থির, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নির্বাসিত, জনগণ অধিকারহীন। কোথাও কোনো সুখবর ছিল না। বিগত ১৫ বছরে অগণতান্ত্রিক সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট আর দলীয়করণ দেশের অর্থনীতিই শুধু ধ্বংস হয়নি, আইনের শাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে ব্যাপকভাবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন পরিণত হয়েছিল রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনে। বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণ করে নষ্ট করা হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


আজকের জাতীয় দৈনিকগুলোর শিরোনাম

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বক্তব্য নিয়ে সংসদে হইচই, তোপের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - সংবাদ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে জাতীয় সংসদে তোপের মুখে পড়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের সদস্যরা ইই চই শুরু করলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সংসদ। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বারবার সদস্যদের নিজ নিজ আসনে বসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে অনুরোধ করলেও বেশ কিছুক্ষণ হই চই চলতে থাকে। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হলে স্পিকার তাকে ধন্যবাদ জানান এবং বিরোধীদলীয় নেতাকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দিলে পরিস্থিতির অবসান হয়।

গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের সময় এ ঘটনা ঘটে। 


৬২ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত, বেড়েছে লোডশেডিং - প্রথম আলো

চলমান গ্যাস–সংকটের সঙ্গে কয়লা ও তরল জ্বালানির সরবরাহস্বল্পতা দেখা দিয়েছে। এর সঙ্গে হঠাৎ করে দুটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। আর সব সময়ই কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণে থাকে, এখনো আছে। সব মিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। এ সময় গরমে চাহিদা বাড়তে থাকায় বেড়েছে লোডশেডিং, বাড়ছে ভোগান্তি।

দেশে এখন মোট বিদ্যুৎকেন্দ্র ১৩৭টি। এর মধ্যে ৬৪টি কেন্দ্র সরকারি, ৭০টি বেসরকারি এবং ৩টি কেন্দ্র ভারত ও চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বলছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ৬২টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। যার মধ্যে ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ ছিল। বাকিগুলো সীমিত সক্ষমতায় উৎপাদন করেছে। ফলে গতকাল দিনের বেলাতেই সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে ৩ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট। 


২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য কমেছে ৮.৩২ শতাংশ - বণিক বার্তা

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০২৫-২৬ ভারতীয় অর্থবছরে কমেছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাণিজ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের মোট বাণিজ্য ছিল ১ হাজার ৩৪৯ কোটি ৩ লাখ ডলার (১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা, ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকা হিসাবে)। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ১ হাজার ২৩৬ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার (১ লাখ ৫২ হাজার ১২১ কোটি টাকা)।

বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলোর তথ্যেও দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য কমার চিত্র পাওয়া যায়। যশোরের বেনাপোল দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর। বেনাপোল কাস্টম হাউজের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে ১৪ লাখ ২ হাজার ১৪৪ টন পণ্য। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০৯ টন। অর্থাৎ এক বছরে আমদানি কমেছে প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টন। একই সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, ফল, শাড়ি, থ্রি-পিসসহ উচ্চ শুল্কের আওতাভুক্ত বিভিন্ন পণ্য আমদানিও কমেছে। 


পৌনে তিন লাখ কোটি টাকার ব্যবস্থাপনার চাপে সরকার - আজকের পত্রিকা

ঘাটতি থাকায় সরকারকে প্রতিবছরই ঋণ করে বাজেট বাস্তবায়ন করতে হয়। আবার সেই ঋণ শোধও করতে হয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এমন পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি সরকারি সিকিউরিটিজের মেয়াদ পূর্তি হচ্ছে। এতে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মোট ২ লাখ ৮৩ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকার সরকারি সিকিউরিটিজের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বল্পমেয়াদি ট্রেজারি বিল, যার পরিমাণ ১ লাখ ৯৪ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এটা সর্বোচ্চ। 


আমন্ত্রণ না পেলেও ইতিবাচক সরকার - কালের কন্ঠ

মক্কা প্রতিরক্ষা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ। তবে চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হলে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

তিনি বলেছেন, মক্কা প্যাক্ট বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা এবং এটি মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ফলে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলে সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। তবে এরই মধ্যে বাংলাদেশের এই জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে চলছে নানা তর্ক-বিতর্ক। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির ব্যপ্তি, লাভ-ক্ষতি ও বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির কথা চিন্তা করেই এই জোটে যাওয়ার কথা ভাবতে হবে। 


মেগা বিদ্যুৎ প্রকল্পের পথেই সরকার - দেশ রুপান্তর

জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পথে হাঁটছে সরকার। এর মধ্যে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া দুই মেগা প্রকল্পও রয়েছে। মাতারবাড়ি ও পায়রাতে হবে দুটি কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র। একই সঙ্গে ভোলায় নির্মাণ করা হবে দুটি গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে শেখ হাসিনা সরকারের বিদ্যুৎ নীতির কঠোর সমালোচনা চলছে। তবে এর মধ্যেই নতুন কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পিডিবি ও বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, এরই মধ্যে সরকার বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হতে পিডিবিকে নির্দেশ দিয়েছে।


আদানি চুক্তির ফাঁদে বছরে বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা - নয়া দিগন্ত

ভারতের আদানি পাওয়ারের সাথে বাংলাদেশের ২৫ বছর মেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি এখন বড় ধরনের আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় পর্যালোচনা কমিটির অনুসন্ধানে চুক্তির মূল্য নির্ধারণ, ঝুঁকি বণ্টন এবং বিভিন্ন শর্তে বাংলাদেশের স্বার্থের তুলনায় আদানি পাওয়ারকে বেশি সুবিধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। কমিটির হিসাবে, অন্যান্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ কেনার তুলনায় আদানির বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে প্রায় ৪ থেকে ৫ সেন্ট বেশি। এর ফলে বাংলাদেশকে বছরে অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমান বিনিময় হারে যার পরিমাণ আনুমানিক পাঁচ থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা। আর চুক্তি বহাল থাকলে ২৫ বছরে বাড়তি ব্যয় করতে হবে সোয়া লাখ কোটি টাকা। 


অপপ্রচার রোধে মাঠে থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর - মানবজমিন

সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রোধে সরকারদলীয় এমপিদের মাঠে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলাকে প্রাধান্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপি’র সংসদীয়

দলের বৈঠক। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সদস্যদের সভাকক্ষে বৈঠকে এ নির্দেশনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে তৃণমূলের মানুষের কাছে সরকারের অবস্থান সঠিকভাবে তুলে ধরা এবং যেকোনো ধরনের অপপ্রচারের কড়া জবাব দেয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দেয়া হয়। 


আইনশৃঙ্খলা দেখার দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপ - সমকাল

দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি, মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি এবং সমন্বয়ের দায়িত্ব ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দেওয়া হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট জেলার উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমেও পরামর্শ দেবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়ন বরাদ্দ কাগজে-কলমে থাকলেও দুর্নীতির মাধ্যমে তা লুটপাট করা হয়। এসব অর্থের একাংশ পাচার করা হয়েছে বিদেশে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।  


সরকারকে সময় দিতে হবে - বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে এক ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি এমন একসময় সরকার গঠন করে যখন বাংলাদেশ পথহারা, বিপন্ন, আশাহীন। দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর, সমাজ অস্থির, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নির্বাসিত, জনগণ অধিকারহীন। কোথাও কোনো সুখবর ছিল না। বিগত ১৫ বছরে অগণতান্ত্রিক সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট আর দলীয়করণ দেশের অর্থনীতিই শুধু ধ্বংস হয়নি, আইনের শাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে ব্যাপকভাবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন পরিণত হয়েছিল রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনে। বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণ করে নষ্ট করা হয়েছিল।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত