সংবাদ

শ্রীমঙ্গল হাসপাতালে অন্ধকারে চিকিৎসা: ভরসা মোমবাতির আলো


প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০২:১১ পিএম

শ্রীমঙ্গল হাসপাতালে অন্ধকারে চিকিৎসা: ভরসা মোমবাতির আলো
ছবি : সংবাদ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসকদের এখন প্রধান ভরসা মোমবাতি। দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীর ক্ষত সেলাই, ইনজেকশন দেওয়া বা ড্রেসিংয়ের মতো জরুরি কাজগুলো সারতে হচ্ছে মোমবাতির অস্পষ্ট আলোতে। এতে যেমন চিকিৎসকদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি রোগীদের চিকিৎসায় বড় ধরনের ঝুঁকি ও নিরাপত্তার সংকট তৈরি হয়েছে।

উপজেলার একমাত্র সরকারি এই হাসপাতালটিতে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর ও আইপিএস থাকলেও সেগুলো কাজে আসছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাসপাতালে জেনারেটর আছে, কিন্তু সেটি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের কোনো বরাদ্দ নেই। অন্যদিকে, আইপিএস থাকলেও তা বিকল হয়ে পড়ে আছে।

গণমাধ্যমকর্মী মো. এহসানুল হকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, এর আগে হাসপাতালের ভেতর থেকে দুটি আইপিএসের ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে বিদ্যুৎ গেলেই পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে যায়। তীব্র গরমে ওয়ার্ডের বারান্দায় থাকা রোগীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে, কারণ বিকল্প ব্যবস্থায় ফ্যান চালানোর কোনো উদ্যোগ নেই।

সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। তবে এভাবে মোমবাতির আলোয় জরুরি সেবা দেওয়া দীর্ঘ মেয়াদে বিপজ্জনক হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে হাসপাতালের জেনারেটর সচল করতে তেলের বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং চুরি যাওয়া ব্যাটারির বিষয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক। সেই সঙ্গে রোগীদের জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ফ্যান সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


শ্রীমঙ্গল হাসপাতালে অন্ধকারে চিকিৎসা: ভরসা মোমবাতির আলো

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসকদের এখন প্রধান ভরসা মোমবাতি। দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীর ক্ষত সেলাই, ইনজেকশন দেওয়া বা ড্রেসিংয়ের মতো জরুরি কাজগুলো সারতে হচ্ছে মোমবাতির অস্পষ্ট আলোতে। এতে যেমন চিকিৎসকদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি রোগীদের চিকিৎসায় বড় ধরনের ঝুঁকি ও নিরাপত্তার সংকট তৈরি হয়েছে।

উপজেলার একমাত্র সরকারি এই হাসপাতালটিতে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর ও আইপিএস থাকলেও সেগুলো কাজে আসছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাসপাতালে জেনারেটর আছে, কিন্তু সেটি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের কোনো বরাদ্দ নেই। অন্যদিকে, আইপিএস থাকলেও তা বিকল হয়ে পড়ে আছে।

গণমাধ্যমকর্মী মো. এহসানুল হকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, এর আগে হাসপাতালের ভেতর থেকে দুটি আইপিএসের ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে বিদ্যুৎ গেলেই পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ডুবে যায়। তীব্র গরমে ওয়ার্ডের বারান্দায় থাকা রোগীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে, কারণ বিকল্প ব্যবস্থায় ফ্যান চালানোর কোনো উদ্যোগ নেই।

সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। তবে এভাবে মোমবাতির আলোয় জরুরি সেবা দেওয়া দীর্ঘ মেয়াদে বিপজ্জনক হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে হাসপাতালের জেনারেটর সচল করতে তেলের বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং চুরি যাওয়া ব্যাটারির বিষয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক। সেই সঙ্গে রোগীদের জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ফ্যান সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত