গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ইবোলা ভাইরাস ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দেশটির উত্তর কিভু প্রদেশের আরও নতুন দুটি স্বাস্থ্য জোনে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেশটির ৬০টি এলাকা ইবোলায় আক্রান্ত হলো। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২ হাজার ৭৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫ হাজার ৭৯৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইতিহাসে এর আগে কখনো এত দ্রুতগতিতে ইবোলা ছড়াতে দেখা যায়নি।
নতুন আক্রান্ত এলাকাগুলো হলো ‘বিয়েনা’ ও ‘মাঙ্গুরেডজিপা’। এই এলাকাগুলোতে মৃত্যুর হার গড়ে ৪৮ শতাংশের চেয়েও অনেক বেশি। সশস্ত্র সংঘাত, মানুষের বাস্তুচ্যুতি এবং চিকিৎসা অবকাঠামোর অভাবে এসব অঞ্চলে সময়মতো জরুরি সেবা পৌঁছাতে দেরি হওয়াকেই এর মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে ইবোলার যে ধরনটি কঙ্গোয় ছড়িয়েছে, সেটি ‘বুন্দিবুগিও’ (Bundibugyo) নামে পরিচিত। এর কোনো অনুমোদিত টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। ফলে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং এবং রোগীদের বিচ্ছিন্ন করার মতো প্রথাগত পদ্ধতিতেই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন চিকিৎসাকর্মীরা।
এদিকে, দাতব্য সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ) উত্তর কিভু প্রদেশের বেনিতে একটি নতুন চিকিৎসা কেন্দ্র খুলেছে। বেনিতে মৃত্যুর হার প্রায় ৬৯ শতাংশ। সংস্থার জরুরি সমন্বয়কারী আলবার্ট স্টার্ন বলেন, দ্রুত রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করা গেলে মৃত্যু ও সংক্রমণের হার অনেক কমানো সম্ভব।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে সতর্ক করে বলেছেন, ‘কঙ্গোর ইবোলা প্রাদুর্ভাব ইতিহাসে দ্রুততম। এটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার চেয়েও দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বকে এখনই জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।’
/

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ইবোলা ভাইরাস ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দেশটির উত্তর কিভু প্রদেশের আরও নতুন দুটি স্বাস্থ্য জোনে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেশটির ৬০টি এলাকা ইবোলায় আক্রান্ত হলো। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২ হাজার ৭৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫ হাজার ৭৯৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইতিহাসে এর আগে কখনো এত দ্রুতগতিতে ইবোলা ছড়াতে দেখা যায়নি।
নতুন আক্রান্ত এলাকাগুলো হলো ‘বিয়েনা’ ও ‘মাঙ্গুরেডজিপা’। এই এলাকাগুলোতে মৃত্যুর হার গড়ে ৪৮ শতাংশের চেয়েও অনেক বেশি। সশস্ত্র সংঘাত, মানুষের বাস্তুচ্যুতি এবং চিকিৎসা অবকাঠামোর অভাবে এসব অঞ্চলে সময়মতো জরুরি সেবা পৌঁছাতে দেরি হওয়াকেই এর মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে ইবোলার যে ধরনটি কঙ্গোয় ছড়িয়েছে, সেটি ‘বুন্দিবুগিও’ (Bundibugyo) নামে পরিচিত। এর কোনো অনুমোদিত টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। ফলে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং এবং রোগীদের বিচ্ছিন্ন করার মতো প্রথাগত পদ্ধতিতেই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন চিকিৎসাকর্মীরা।
এদিকে, দাতব্য সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ) উত্তর কিভু প্রদেশের বেনিতে একটি নতুন চিকিৎসা কেন্দ্র খুলেছে। বেনিতে মৃত্যুর হার প্রায় ৬৯ শতাংশ। সংস্থার জরুরি সমন্বয়কারী আলবার্ট স্টার্ন বলেন, দ্রুত রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করা গেলে মৃত্যু ও সংক্রমণের হার অনেক কমানো সম্ভব।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে সতর্ক করে বলেছেন, ‘কঙ্গোর ইবোলা প্রাদুর্ভাব ইতিহাসে দ্রুততম। এটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার চেয়েও দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বকে এখনই জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।’
/

আপনার মতামত লিখুন