রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের আমুর অঞ্চলে ‘আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে’ ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক বাংলাদেশি কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকালে মস্কো থেকে প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সিনোপেক গ্যাস ফিল্ডের এজিসিসি প্রকল্পে এই বিস্ফোরণ ঘটে। নিহত বাংলাদেশি কর্মী হলেন জাকির হোসেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা।
এছাড়া মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলাল হোসেন রাজু এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। কিছু মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে সবার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাই নিখোঁজ রাজুও অজ্ঞাতনামা মরদেহগুলোর মধ্যে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন দূতাবাস।
এই দুর্ঘটনায় মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজন গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন। গুরুতর আহত কর্মীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আমুর থেকে ভ্লাদিভোস্তক প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার দূরে এবং মস্কোর বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
ঘটনার পরপরই আহত ও নিখোঁজ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। দূতাবাস ইতিমধ্যে একটি ২৪ ঘণ্টার বিশেষ হটলাইন চালু করেছে।
নিহত জাকির হোসেনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত পাঠাতে দূতাবাস প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের সঙ্গে তার বকেয়া পাওনা ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে।
উল্লেখ্য, আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সটি রাশিয়ার পেট্রোকেমিক্যাল জায়ান্ট সিবুর ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল-গ্যাস কোম্পানি সিনোপেক-এর একটি যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম পলিমার উৎপাদন সুবিধাগুলোর একটি। প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বর্তমানে নির্মাণাধীন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের আমুর অঞ্চলে ‘আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে’ ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক বাংলাদেশি কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকালে মস্কো থেকে প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সিনোপেক গ্যাস ফিল্ডের এজিসিসি প্রকল্পে এই বিস্ফোরণ ঘটে। নিহত বাংলাদেশি কর্মী হলেন জাকির হোসেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা।
এছাড়া মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলাল হোসেন রাজু এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। কিছু মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে সবার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাই নিখোঁজ রাজুও অজ্ঞাতনামা মরদেহগুলোর মধ্যে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন দূতাবাস।
এই দুর্ঘটনায় মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজন গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন। গুরুতর আহত কর্মীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আমুর থেকে ভ্লাদিভোস্তক প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার দূরে এবং মস্কোর বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
ঘটনার পরপরই আহত ও নিখোঁজ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। দূতাবাস ইতিমধ্যে একটি ২৪ ঘণ্টার বিশেষ হটলাইন চালু করেছে।
নিহত জাকির হোসেনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত পাঠাতে দূতাবাস প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের সঙ্গে তার বকেয়া পাওনা ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে।
উল্লেখ্য, আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সটি রাশিয়ার পেট্রোকেমিক্যাল জায়ান্ট সিবুর ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল-গ্যাস কোম্পানি সিনোপেক-এর একটি যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম পলিমার উৎপাদন সুবিধাগুলোর একটি। প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বর্তমানে নির্মাণাধীন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন