রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি কেমিক্যাল কমপ্লেক্স প্রকল্পের গ্যাস প্ল্যান্টে সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন।
মস্কো
থেকে প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার
দূরে অবস্থিত সিনোপেক গ্যাস ফিল্ডে গত ২৫ আগস্ট
এই দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত
করা হয়েছে।
মর্মান্তিক
এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশির নাম জাকির হোসেন,
যিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা
ছিলেন। এই ভয়াবহ বিস্ফোরণে
অন্যান্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি আরও ৩৫ জন
বাংলাদেশি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের
মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউতে রাখা
হয়েছে এবং উন্নত চিকিৎসার
জন্য দ্রুত মস্কোয় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলাল হোসেন রাজু
নামের আরও এক বাংলাদেশি
কর্মী এই দুর্ঘটনার পর
থেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
ঘটনার
পরপরই আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের
সুচিকিৎসা এবং সার্বিক পরিস্থিতি
নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য রাশিয়ায় অবস্থিত
বাংলাদেশ দূতাবাস রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে
সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
প্রবাসীদের
স্বজনদের উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে
দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি
বিশেষ হটলাইন চালু করা হয়েছে
এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানির অন্যান্য কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। নিহত
জাকির হোসেনের মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক
ও কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পাশাপাশি,
সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহত কর্মীর
বকেয়া পাওনাদি এবং যথাযথ ক্ষতিপূরণ
আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে দূতাবাস।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি কেমিক্যাল কমপ্লেক্স প্রকল্পের গ্যাস প্ল্যান্টে সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নাগরিকসহ মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন।
মস্কো
থেকে প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার
দূরে অবস্থিত সিনোপেক গ্যাস ফিল্ডে গত ২৫ আগস্ট
এই দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত
করা হয়েছে।
মর্মান্তিক
এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশির নাম জাকির হোসেন,
যিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা
ছিলেন। এই ভয়াবহ বিস্ফোরণে
অন্যান্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি আরও ৩৫ জন
বাংলাদেশি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের
মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউতে রাখা
হয়েছে এবং উন্নত চিকিৎসার
জন্য দ্রুত মস্কোয় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলাল হোসেন রাজু
নামের আরও এক বাংলাদেশি
কর্মী এই দুর্ঘটনার পর
থেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
ঘটনার
পরপরই আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের
সুচিকিৎসা এবং সার্বিক পরিস্থিতি
নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য রাশিয়ায় অবস্থিত
বাংলাদেশ দূতাবাস রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে
সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
প্রবাসীদের
স্বজনদের উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে
দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি
বিশেষ হটলাইন চালু করা হয়েছে
এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানির অন্যান্য কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। নিহত
জাকির হোসেনের মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক
ও কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পাশাপাশি,
সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহত কর্মীর
বকেয়া পাওনাদি এবং যথাযথ ক্ষতিপূরণ
আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে দূতাবাস।

আপনার মতামত লিখুন