রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় পুলিশি অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে ২০-২২ জনের একটি সশস্ত্র দল এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে।
৩০ আগস্ট রবিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগ ও করাতিটোলা রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় পথচারী আশা আকতার, পথচারী সিয়াম এবং স্থানীয় চা বিক্রেতা আলমগীর গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকেলে স্থানীয় লোকজন তিন তরুণকে মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক করে বিএনপির স্থানীয় কর্মী মো. মনির হোসেনের কার্যালয়ে নিয়ে যায় এবং পরে পুলিশ ডেকে তাদের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ আসামীদের নিয়ে স্থান ত্যাগ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্ত্রাসীদের দলটি এসে ফাঁকা গুলি ছুড়তে শুরু করে।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের সূত্রের বরাতে জানা যায়, এলাকার মাদক ব্যবসা ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা মনির হোসেন ও তার ভাগনে রাসেলের সঙ্গে সন্ত্রাসী অটো সজলের অনুসারীদের বিরোধ ছিল। সেখানে হাতাহাতির পাশাপাশি অস্ত্র প্রদর্শনী ও গুলির ঘটনাও ঘটেছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। এই সহিংস ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও পুলিশ এখনো ঘটনার পেছনে যুক্ত মূল হামলাকারীদের সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি।
তবে থানা পুলিশের পাশাপাশি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), র্যাব এবং পিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের খুঁজে বের করতে মাঠে নেমেছে।
ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন এই বিষয়ে বলেন, "গতকাল রবিবার গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ সেখানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান শেষে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পরই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।"
ঘটনার পেছনের কারণ জানতে চাইলে তিনি আরও যোগ করেন, "তদন্ত চলছে, পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কার সঙ্গে কার সংঘর্ষ হয়েছে কিংবা কোনো নির্দিষ্ট গ্রুপ এতে জড়িত কি না এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে ঘটনার মূল কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।"
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অপরাধীদের আটকে যৌথ তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এখনো কেউ মামলা করতে থানায় আসেনি। তবে পুলিশের একাধিক টিম এ ঘটনায় কাজ করছে। যারা গুলি করেছে তাদের শনাক্তে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কাজ চলছে। এলাকাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় পুলিশি অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে ২০-২২ জনের একটি সশস্ত্র দল এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে।
৩০ আগস্ট রবিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগ ও করাতিটোলা রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় পথচারী আশা আকতার, পথচারী সিয়াম এবং স্থানীয় চা বিক্রেতা আলমগীর গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকেলে স্থানীয় লোকজন তিন তরুণকে মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক করে বিএনপির স্থানীয় কর্মী মো. মনির হোসেনের কার্যালয়ে নিয়ে যায় এবং পরে পুলিশ ডেকে তাদের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ আসামীদের নিয়ে স্থান ত্যাগ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্ত্রাসীদের দলটি এসে ফাঁকা গুলি ছুড়তে শুরু করে।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের সূত্রের বরাতে জানা যায়, এলাকার মাদক ব্যবসা ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা মনির হোসেন ও তার ভাগনে রাসেলের সঙ্গে সন্ত্রাসী অটো সজলের অনুসারীদের বিরোধ ছিল। সেখানে হাতাহাতির পাশাপাশি অস্ত্র প্রদর্শনী ও গুলির ঘটনাও ঘটেছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। এই সহিংস ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও পুলিশ এখনো ঘটনার পেছনে যুক্ত মূল হামলাকারীদের সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি।
তবে থানা পুলিশের পাশাপাশি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), র্যাব এবং পিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের খুঁজে বের করতে মাঠে নেমেছে।
ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন এই বিষয়ে বলেন, "গতকাল রবিবার গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ সেখানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান শেষে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পরই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।"
ঘটনার পেছনের কারণ জানতে চাইলে তিনি আরও যোগ করেন, "তদন্ত চলছে, পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কার সঙ্গে কার সংঘর্ষ হয়েছে কিংবা কোনো নির্দিষ্ট গ্রুপ এতে জড়িত কি না এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে ঘটনার মূল কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।"
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অপরাধীদের আটকে যৌথ তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এখনো কেউ মামলা করতে থানায় আসেনি। তবে পুলিশের একাধিক টিম এ ঘটনায় কাজ করছে। যারা গুলি করেছে তাদের শনাক্তে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কাজ চলছে। এলাকাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন