ঢাকা-পার্বতীপুর-বিরামপুর-চিলাহাটি রেলপথের ১৫ কিলোমিটার এলাকায় প্রায় ৭ হাজার প্যান্ডেল ক্লিপ, ফিস বোল্ট ও ফিসপ্লেট চুরি হয়েছে। এর মধ্যে পার্বতীপুর-বিরামপুর অংশের ৮ কিলোমিটার এবং পার্বতীপুর-চিলাহাটি অংশের ৭ কিলোমিটার রেললাইন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
উল্লিখিত রুটে প্রতিদিন আন্তঃনগর, মেইল, লোকাল ও তেলবাহী ট্রেনসহ অন্তত ৩৬টি ট্রেন চলাচল করে। রেললাইনের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম চুরি হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। চুরি হওয়া উপকরণের কোনোটি সময়মতো প্রতিস্থাপন করা না হলে রেললাইনের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। বিশেষ করে একই এলাকায় ধারাবাহিকভাবে এসব সরঞ্জাম চুরি হলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।
সংশ্লিষ্ট রেলপথে প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চুরির ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে। কাজেই একে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা বলা যায় ন। সংঘবদ্ধ চোরচক্র নিয়মিতভাবে রেলওয়ের সম্পদ লুট করছে।
রেল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ঢাকা-পার্বতীপুর-বিরামপুর রেলপথে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার প্যান্ডেল ক্লিপ, ফিস বোল্ট ও ফিসপ্লেট চুরি হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৫ আগস্ট রাতে পার্বতীপুরের ভবানীপুর রেলস্টেশনের গোডাউন থেকে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকার এসব সরঞ্জামের পাশাপাশি হ্যামার, হাতুড়ি, শাবল ও চার্জার টর্চলাইটও চুরি হয়েছে।
প্রশ্ন হলো, রেলওয়ের একটি গোডাউন থেকে এত বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম কীভাবে চুরি হলো? সেখানে নিরাপত্তাব্যবস্থা কেমন ছিল? চুরি ঠেকাতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কী ব্যবস্থা নিয়েছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর জানা প্রয়োজন। রেলওয়ের সম্পদ চুরি হওয়ার পর শুধু মামলা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। চুরি ঠেকাতে

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা-পার্বতীপুর-বিরামপুর-চিলাহাটি রেলপথের ১৫ কিলোমিটার এলাকায় প্রায় ৭ হাজার প্যান্ডেল ক্লিপ, ফিস বোল্ট ও ফিসপ্লেট চুরি হয়েছে। এর মধ্যে পার্বতীপুর-বিরামপুর অংশের ৮ কিলোমিটার এবং পার্বতীপুর-চিলাহাটি অংশের ৭ কিলোমিটার রেললাইন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
উল্লিখিত রুটে প্রতিদিন আন্তঃনগর, মেইল, লোকাল ও তেলবাহী ট্রেনসহ অন্তত ৩৬টি ট্রেন চলাচল করে। রেললাইনের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম চুরি হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। চুরি হওয়া উপকরণের কোনোটি সময়মতো প্রতিস্থাপন করা না হলে রেললাইনের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। বিশেষ করে একই এলাকায় ধারাবাহিকভাবে এসব সরঞ্জাম চুরি হলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।
সংশ্লিষ্ট রেলপথে প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চুরির ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে। কাজেই একে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা বলা যায় ন। সংঘবদ্ধ চোরচক্র নিয়মিতভাবে রেলওয়ের সম্পদ লুট করছে।
রেল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ঢাকা-পার্বতীপুর-বিরামপুর রেলপথে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার প্যান্ডেল ক্লিপ, ফিস বোল্ট ও ফিসপ্লেট চুরি হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৫ আগস্ট রাতে পার্বতীপুরের ভবানীপুর রেলস্টেশনের গোডাউন থেকে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকার এসব সরঞ্জামের পাশাপাশি হ্যামার, হাতুড়ি, শাবল ও চার্জার টর্চলাইটও চুরি হয়েছে।
প্রশ্ন হলো, রেলওয়ের একটি গোডাউন থেকে এত বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম কীভাবে চুরি হলো? সেখানে নিরাপত্তাব্যবস্থা কেমন ছিল? চুরি ঠেকাতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কী ব্যবস্থা নিয়েছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর জানা প্রয়োজন। রেলওয়ের সম্পদ চুরি হওয়ার পর শুধু মামলা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। চুরি ঠেকাতে

আপনার মতামত লিখুন