দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সন্তানদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা এবং তাদের পড়ালেখার খরচ কমানোর উদ্দেশে সরকার উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করেছে। উপবৃত্তির টাকা নিয়ে প্রায়ই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
উপবৃত্তির টাকা সরাসরি শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের নির্ধারিত ডিজিটাল হিসেবে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করা হয়েছিল, এর ফলে অনিয়ম-দুর্নীতি কমবে। অথচ নানা কৌশলে এখনও অনিয়ম-দুর্নীতি হচ্ছে। বিভিন্ন ঘটনায় দেখা যাচ্ছে, শিক্ষার্থীর পরিবারের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তির মোবাইল নম্বর নিবন্ধন করা হয়েছে। কোথাও শিক্ষকের নিজের বা স্ত্রীর মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে টাকা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও আবার তালিকা ও পেমেন্ট লিস্টের মধ্যে অসংগতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের প্রতিটি ঘটনা ও আর্থিক লেনদেন যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অভিযোগের গুরুত্ব উপেক্ষা করাও গ্রহণযোগ্য নয়।
উপবৃত্তির সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীরা সাধারণত এমন পরিবারের সন্তান, যাদের আর্থিক সামর্থ্য সীমিত। একজন ভ্যানচালক বা দিনমজুর পরিবারের সন্তান কয়েক মাসের উপবৃত্তির টাকা না পেলে তার পরিবারের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে।
শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির তালিকা তৈরি, মোবাইল নম্বর নিবন্ধন, টাকা পাওয়ার তথ্য এবং লেনদেনের রেকর্ড যাচাইয়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবকের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তির নম্বর কেন নিবন্ধিত হলো, তা শনাক্ত করার সক্ষমতা প্রশাসনের থাকতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিতভাবে পেমেন্ট লিস্টের সঙ্গে বিদ্যালয়ের ভর্তি ও উপস্থিতির তথ্য মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয় পরিবর্তন করলে, ঝরে পড়লে বা তার পারিবারিক তথ্য পরিবর্তিত

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সন্তানদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা এবং তাদের পড়ালেখার খরচ কমানোর উদ্দেশে সরকার উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করেছে। উপবৃত্তির টাকা নিয়ে প্রায়ই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
উপবৃত্তির টাকা সরাসরি শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের নির্ধারিত ডিজিটাল হিসেবে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করা হয়েছিল, এর ফলে অনিয়ম-দুর্নীতি কমবে। অথচ নানা কৌশলে এখনও অনিয়ম-দুর্নীতি হচ্ছে। বিভিন্ন ঘটনায় দেখা যাচ্ছে, শিক্ষার্থীর পরিবারের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তির মোবাইল নম্বর নিবন্ধন করা হয়েছে। কোথাও শিক্ষকের নিজের বা স্ত্রীর মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে টাকা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও আবার তালিকা ও পেমেন্ট লিস্টের মধ্যে অসংগতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের প্রতিটি ঘটনা ও আর্থিক লেনদেন যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অভিযোগের গুরুত্ব উপেক্ষা করাও গ্রহণযোগ্য নয়।
উপবৃত্তির সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীরা সাধারণত এমন পরিবারের সন্তান, যাদের আর্থিক সামর্থ্য সীমিত। একজন ভ্যানচালক বা দিনমজুর পরিবারের সন্তান কয়েক মাসের উপবৃত্তির টাকা না পেলে তার পরিবারের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে।
শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির তালিকা তৈরি, মোবাইল নম্বর নিবন্ধন, টাকা পাওয়ার তথ্য এবং লেনদেনের রেকর্ড যাচাইয়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবকের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তির নম্বর কেন নিবন্ধিত হলো, তা শনাক্ত করার সক্ষমতা প্রশাসনের থাকতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিতভাবে পেমেন্ট লিস্টের সঙ্গে বিদ্যালয়ের ভর্তি ও উপস্থিতির তথ্য মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয় পরিবর্তন করলে, ঝরে পড়লে বা তার পারিবারিক তথ্য পরিবর্তিত

আপনার মতামত লিখুন