সংবাদ

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শয্যা সংকট দূর করুন


প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৫ পিএম

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শয্যা সংকট দূর করুন

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ২২টি নির্ধারিত শয্যার বিপরীতে গত সাত দিনে ৩২০ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ১০৫ শিশু। অর্থাৎ নির্ধারিত শয্যার প্রায় পাঁচ গুণ রোগী একসঙ্গে চিকিৎসাধীন। শয্যা না পেয়ে অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। 

হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিশু ভর্তি হয়েছে। কোনো কোনো দিনে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। অতিরিক্ত গরম, আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে বলে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন। 

উদ্বেগের বিষয় হলো, শয্যার সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালে জনবলসংকটও রয়েছে। সীমিতসংখ্যক চিকিৎসক ও নার্সকে নির্ধারিত সক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী সামলাতে হচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। 

অসুস্থ শিশুকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেয়া কেবল অস্বস্তিকর নয়, স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়াতে পারে। ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ও স্বজন অবস্থান করলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা ও রোগী পর্যবেক্ষণ কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নিউমোনিয়া বা শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত জায়গা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে অস্থায়ীভাবে অতিরিক্ত শয্যা বাড়ানো যায় কিনা সেটা দেখতে হবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক-নার্স ও সহায়ক জনবলও বাড়ানো দরকর। কেবল চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শয্যা বাড়ালেই সমস্যার টেকসই সমাধান হবে না। জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শিশুদের চিকিৎসার সক্ষমতা কতটা রয়েছে, সেদিকেও নজর দেয়া প্রয়োজন। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শয্যা সংকট দূর করুন

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ২২টি নির্ধারিত শয্যার বিপরীতে গত সাত দিনে ৩২০ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ১০৫ শিশু। অর্থাৎ নির্ধারিত শয্যার প্রায় পাঁচ গুণ রোগী একসঙ্গে চিকিৎসাধীন। শয্যা না পেয়ে অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। 

হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিশু ভর্তি হয়েছে। কোনো কোনো দিনে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। অতিরিক্ত গরম, আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে বলে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন। 

উদ্বেগের বিষয় হলো, শয্যার সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালে জনবলসংকটও রয়েছে। সীমিতসংখ্যক চিকিৎসক ও নার্সকে নির্ধারিত সক্ষমতার কয়েক গুণ রোগী সামলাতে হচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। 

অসুস্থ শিশুকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেয়া কেবল অস্বস্তিকর নয়, স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়াতে পারে। ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ও স্বজন অবস্থান করলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা ও রোগী পর্যবেক্ষণ কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নিউমোনিয়া বা শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত জায়গা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে অস্থায়ীভাবে অতিরিক্ত শয্যা বাড়ানো যায় কিনা সেটা দেখতে হবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক-নার্স ও সহায়ক জনবলও বাড়ানো দরকর। কেবল চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শয্যা বাড়ালেই সমস্যার টেকসই সমাধান হবে না। জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শিশুদের চিকিৎসার সক্ষমতা কতটা রয়েছে, সেদিকেও নজর দেয়া প্রয়োজন। 



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত