দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর দেশের মাটিতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হওয়ায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, একমাত্র কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে দেশের চলমান সংসদীয় কার্যক্রম, গণতান্ত্রিক ধারা এবং সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার অটুট অঙ্গীকারের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী বার্তা বহন করে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক ধারা সুগম করতে পেরেছি।’
তিনি
আরও যোগ করেন,
বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই
ফিরিয়ে আনেনি, বরং সংসদীয় গণতন্ত্রও
এ দলের হাত ধরেই
এ দেশে এসেছে। সামনে
কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সরকার গণতন্ত্রের পথে অবিচল রয়েছে।
সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের দোরগোড়ায়
সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।
আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার গভীরভাবে পড়েছেন এবং এতে শিক্ষাখাতে নেওয়া নানা উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রতি তিনি বিশেষ প্রশংসা প্রকাশ করেছেন।
তিনি মনে করেন,
বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত
থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার
প্রতি আস্থা আরও বহুগুণ বেড়ে
যাবে। গণতন্ত্রকে আরও বেশি কার্যকর
করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর তিনি বিশেষ
গুরুত্ব আরোপ করেন।
বৈঠকে নারীর ক্ষমতায়ন ও তরুণ নেতৃত্ব নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিজের বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আন্দা ফিলিপ জানান যে তারা অত্যন্ত উদ্যমী।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, নারীর ক্ষমতায়ন তার সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত সম্পূর্ণ অবৈতনিক শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় উপবৃত্তি চালুর নতুন পরিকল্পনার কথা তিনি তুলে ধরেন।
পাশাপাশি,
ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য নারীদের
আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে
তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা বলে তিনি
উল্লেখ করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির
এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ
উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর দেশের মাটিতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হওয়ায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, একমাত্র কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে দেশের চলমান সংসদীয় কার্যক্রম, গণতান্ত্রিক ধারা এবং সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার অটুট অঙ্গীকারের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী বার্তা বহন করে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক ধারা সুগম করতে পেরেছি।’
তিনি
আরও যোগ করেন,
বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই
ফিরিয়ে আনেনি, বরং সংসদীয় গণতন্ত্রও
এ দলের হাত ধরেই
এ দেশে এসেছে। সামনে
কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সরকার গণতন্ত্রের পথে অবিচল রয়েছে।
সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের দোরগোড়ায়
সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।
আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার গভীরভাবে পড়েছেন এবং এতে শিক্ষাখাতে নেওয়া নানা উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রতি তিনি বিশেষ প্রশংসা প্রকাশ করেছেন।
তিনি মনে করেন,
বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত
থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার
প্রতি আস্থা আরও বহুগুণ বেড়ে
যাবে। গণতন্ত্রকে আরও বেশি কার্যকর
করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর তিনি বিশেষ
গুরুত্ব আরোপ করেন।
বৈঠকে নারীর ক্ষমতায়ন ও তরুণ নেতৃত্ব নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিজের বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আন্দা ফিলিপ জানান যে তারা অত্যন্ত উদ্যমী।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, নারীর ক্ষমতায়ন তার সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত সম্পূর্ণ অবৈতনিক শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় উপবৃত্তি চালুর নতুন পরিকল্পনার কথা তিনি তুলে ধরেন।
পাশাপাশি,
ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য নারীদের
আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে
তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা বলে তিনি
উল্লেখ করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির
এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ
উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন