নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বাবার দেওয়া হেবা দলিলের সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের মধ্যে নিজের দাবি করা কৃষি জমিতে আমন ধানের চারা নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি গ্রামের পুকুরিয়া হাওরে সরেজমিনে গেলে সেই চিত্র চোখে পড়ে।
ভুক্তভোগী আখলিমা আক্তার আঁখি জানান, দীর্ঘ ১৩ বছর পর গতকাল (১ সেপ্টেম্বর) নিজের জমিতে ধানের চারা রোপণ করেন। কিন্তু বুধবার সকালের দিকে তার আপন মেজো ভাই মো. কাঞ্চন মিয়া ওই জমিতে হালচাষ করে রোপণ করা ধানের চারাগুলো নষ্ট করে দিয়েছে।
এতে জমিতে লাগানো ধানের চারা কাদা-মাটির সঙ্গে মিশে নষ্ট হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন আঁখি। ঘটনাটি পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি।
আঁখি পোড়াবাড়ি গ্রামের মৃত আলী হোসেন ফকির ওরফে আনছু মিয়ার একমাত্র মেয়ে। তার চার ভাই- নুরু মিয়া, কাঞ্চন মিয়া, (মৃত) দনাই মিয়া ও আবদুল কাদির।
আখলিমা বলেন, ‘আমার বাবা আলী হোসেন জীবিত থাকাকালে কয়েকটি দাগে ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই কেন্দুয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমাকে হেবা দলিল করে দেন। পরবর্তীতে আমার আপন ভাই কাঞ্চন মিয়া ২০১৫ সালের ৯ জুন একই সম্পত্তিসহ আরও কিছু জমি হেবা দলিলের মাধ্যমে নিজের নামে করে নেন। এরপর থেকেই জমির ভোগদখল নিয়ে ভাই-বোনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।’
আখলিমা আরও অভিযোগ করেন, ‘আমার বাবার দেওয়া জমিতে চারা রোপণ করেছিলাম। কিন্তু সকালে আমার ভাই কাঞ্চন হালচাষ করে সব চারা নষ্ট করে দিয়েছে। চারাগুলো কাদা-মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। আমি বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি।’
আঁখি আরও বলেন, ‘১৩ বছর ধরে আমার সম্পত্তি নিয়ে ঘুরছি। আগেও থানায় অভিযোগ করেছি। এরপরও সমস্যার সমাধান হয়নি। এখন আমার রোপণ করা ধানের চারাও নষ্ট করা হলো। আমি চাই, দলিলপত্র যাচাই করে প্রকৃত বিষয়টি বের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হোক।’
মই দেওয়ার পর নষ্ট হয় ধানের চারা।
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিনের। জমির প্রকৃত মালিকানা ও হেবা দলিলের বৈধতা নিয়ে কোনো আইনি বিরোধ রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট দলিল ও ভূমি রেকর্ড যাচাই সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জানতে চাইলে কেন্দুয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বাবার দেওয়া হেবা দলিলের সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের মধ্যে নিজের দাবি করা কৃষি জমিতে আমন ধানের চারা নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি গ্রামের পুকুরিয়া হাওরে সরেজমিনে গেলে সেই চিত্র চোখে পড়ে।
ভুক্তভোগী আখলিমা আক্তার আঁখি জানান, দীর্ঘ ১৩ বছর পর গতকাল (১ সেপ্টেম্বর) নিজের জমিতে ধানের চারা রোপণ করেন। কিন্তু বুধবার সকালের দিকে তার আপন মেজো ভাই মো. কাঞ্চন মিয়া ওই জমিতে হালচাষ করে রোপণ করা ধানের চারাগুলো নষ্ট করে দিয়েছে।
এতে জমিতে লাগানো ধানের চারা কাদা-মাটির সঙ্গে মিশে নষ্ট হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন আঁখি। ঘটনাটি পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি।
আঁখি পোড়াবাড়ি গ্রামের মৃত আলী হোসেন ফকির ওরফে আনছু মিয়ার একমাত্র মেয়ে। তার চার ভাই- নুরু মিয়া, কাঞ্চন মিয়া, (মৃত) দনাই মিয়া ও আবদুল কাদির।
আখলিমা বলেন, ‘আমার বাবা আলী হোসেন জীবিত থাকাকালে কয়েকটি দাগে ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই কেন্দুয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমাকে হেবা দলিল করে দেন। পরবর্তীতে আমার আপন ভাই কাঞ্চন মিয়া ২০১৫ সালের ৯ জুন একই সম্পত্তিসহ আরও কিছু জমি হেবা দলিলের মাধ্যমে নিজের নামে করে নেন। এরপর থেকেই জমির ভোগদখল নিয়ে ভাই-বোনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।’
আখলিমা আরও অভিযোগ করেন, ‘আমার বাবার দেওয়া জমিতে চারা রোপণ করেছিলাম। কিন্তু সকালে আমার ভাই কাঞ্চন হালচাষ করে সব চারা নষ্ট করে দিয়েছে। চারাগুলো কাদা-মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। আমি বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি।’
আঁখি আরও বলেন, ‘১৩ বছর ধরে আমার সম্পত্তি নিয়ে ঘুরছি। আগেও থানায় অভিযোগ করেছি। এরপরও সমস্যার সমাধান হয়নি। এখন আমার রোপণ করা ধানের চারাও নষ্ট করা হলো। আমি চাই, দলিলপত্র যাচাই করে প্রকৃত বিষয়টি বের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হোক।’
মই দেওয়ার পর নষ্ট হয় ধানের চারা।
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিনের। জমির প্রকৃত মালিকানা ও হেবা দলিলের বৈধতা নিয়ে কোনো আইনি বিরোধ রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট দলিল ও ভূমি রেকর্ড যাচাই সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জানতে চাইলে কেন্দুয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন