সংবাদ

সম্মিলিত ব্যাংকে প্রথম দিনেই ১৮০০০ গ্রাহকের ১৩শ’ কোটি টাকা দাবি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

সম্মিলিত ব্যাংকে প্রথম দিনেই ১৮০০০ গ্রাহকের ১৩শ’ কোটি টাকা দাবি

  • আমানত ফেরতের আবেদন শুরু

সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। কার্যক্রম চালুর প্রথম দিনেই প্রায় ১৮ হাজার ব্যক্তি আমানতকারী টাকা ফেরতের জন্য আবেদন করেছেন। এসব গ্রাহক তাদের জমা রাখা মোট এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা উপ-শাখায় এই টাকা উত্তোলনের আবেদন গ্রহণ করা হয়। কার্যক্রমের শুরুতেই ব্যাংকের শাখা উপ-শাখাগুলোতে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ব্যাংক কর্মকর্তারাও উপস্থিত গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।

ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আমানত ফেরতের এই আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট শাখা বা উপ-শাখায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে গ্রাহকদের আবেদন জমা দিতে হচ্ছে। প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে যোগ্য গ্রাহকদের হাতে টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, তীব্র সংকটে থাকা এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ইউনিয়ন ব্যাংক; এই পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়। নতুন এই ব্যাংক থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা জারি করেছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যক্তি আমানতকারীরা তাদের চলতি সঞ্চয়ী হিসাবের জমা অর্থ এবং মেয়াদি আমানতের শুধু মূল টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। তবে এই পর্যায়ে আমানতের বিপরীতে কোনো ধরনের অর্জিত বা প্রাপ্য মুনাফা উত্তোলনের সুযোগ রাখা হয়নি।

কোনো আমানতকারী তার মূল টাকা তুলে নিলে সংশ্লিষ্ট হিসাবের ক্ষেত্রে সেটিকে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে। এছাড়া হস্তান্তরকারী ব্যাংকের কাছে যদি কোনো গ্রাহকের ঋণ বা অন্য কোনো আর্থিক দায় থাকে, তবে আমানত ফেরত দেওয়ার আগে সেই পাওনা অর্থ সমন্বয় করা হবে।

তবে যেসব গ্রাহক এখনই আতঙ্কিত হয়ে আমানত তুলবেন না এবং হিসাব সচল রাখবেন, তারা পূর্বের চুক্তির নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে নিয়মিত মুনাফা পাওয়ার সুবিধা ভোগ করবেন।

অন্যদিকে, মেয়াদি আমানত নির্ধারিত সময়ের আগেই ভাঙলে গ্রাহক শুধু মূল টাকা ফেরত পাবেন, কোনো মুনাফা পাবেন না। তবে কেউ আংশিক অর্থ তুললে বাকি অর্থের ওপর প্রচলিত নিয়মেই মুনাফা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সম্মিলিত ব্যাংকে প্রথম দিনেই ১৮০০০ গ্রাহকের ১৩শ’ কোটি টাকা দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

  • আমানত ফেরতের আবেদন শুরু

সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। কার্যক্রম চালুর প্রথম দিনেই প্রায় ১৮ হাজার ব্যক্তি আমানতকারী টাকা ফেরতের জন্য আবেদন করেছেন। এসব গ্রাহক তাদের জমা রাখা মোট এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা উপ-শাখায় এই টাকা উত্তোলনের আবেদন গ্রহণ করা হয়। কার্যক্রমের শুরুতেই ব্যাংকের শাখা উপ-শাখাগুলোতে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ব্যাংক কর্মকর্তারাও উপস্থিত গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।

ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আমানত ফেরতের এই আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট শাখা বা উপ-শাখায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে গ্রাহকদের আবেদন জমা দিতে হচ্ছে। প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে যোগ্য গ্রাহকদের হাতে টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, তীব্র সংকটে থাকা এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ইউনিয়ন ব্যাংক; এই পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়। নতুন এই ব্যাংক থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা জারি করেছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যক্তি আমানতকারীরা তাদের চলতি সঞ্চয়ী হিসাবের জমা অর্থ এবং মেয়াদি আমানতের শুধু মূল টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। তবে এই পর্যায়ে আমানতের বিপরীতে কোনো ধরনের অর্জিত বা প্রাপ্য মুনাফা উত্তোলনের সুযোগ রাখা হয়নি।

কোনো আমানতকারী তার মূল টাকা তুলে নিলে সংশ্লিষ্ট হিসাবের ক্ষেত্রে সেটিকে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে। এছাড়া হস্তান্তরকারী ব্যাংকের কাছে যদি কোনো গ্রাহকের ঋণ বা অন্য কোনো আর্থিক দায় থাকে, তবে আমানত ফেরত দেওয়ার আগে সেই পাওনা অর্থ সমন্বয় করা হবে।

তবে যেসব গ্রাহক এখনই আতঙ্কিত হয়ে আমানত তুলবেন না এবং হিসাব সচল রাখবেন, তারা পূর্বের চুক্তির নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে নিয়মিত মুনাফা পাওয়ার সুবিধা ভোগ করবেন।

অন্যদিকে, মেয়াদি আমানত নির্ধারিত সময়ের আগেই ভাঙলে গ্রাহক শুধু মূল টাকা ফেরত পাবেন, কোনো মুনাফা পাবেন না। তবে কেউ আংশিক অর্থ তুললে বাকি অর্থের ওপর প্রচলিত নিয়মেই মুনাফা অব্যাহত থাকবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত