সংবাদ

হঠাৎ নদীগর্ভে বিলীন ৪০ মিটার ক্রসবাঁধ


জেলা বার্তা পরিবেশক, কুড়িগ্রাম
জেলা বার্তা পরিবেশক, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম

হঠাৎ নদীগর্ভে বিলীন ৪০ মিটার ক্রসবাঁধ
ছবি : সংবাদ

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাট এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসবাঁধের বড় একটি অংশ বিলীন হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে হঠাৎ শুরু হওয়া এই ভাঙনে বাঁধটির প্রায় ৪০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে চলে যায়। এতে করে ওই অঞ্চলের ছয়টি গ্রামের অন্তত ২০ হাজার মানুষ সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে বুড়িরহাট ক্রসবাঁধের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে হঠাৎ ভাঙন দেখা দেয়। মুহূর্তের মধ্যে বাঁধের একাংশ নদীতে ধসে পড়ে। বাঁধটি পুরোপুরি ভেঙে গেলে বড়দরগা, বুড়িরহাট, রামহরি, চতুরা, কালিরমেলা ও ডাংরারহাট গ্রামের বসতভিটা, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ছাড়াও অন্তত পাঁচটি স্থানীয় বাজার তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর কাউনিয়া স্টেশনে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ৭৫ মিটার, যা বিপৎসীমার (২৯ দশমিক ৩১ মিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপৎসীমার নিচে থাকলেও নদীর প্রবল স্রোতে বাঁধের নিচের অংশের মাটি ও বালু সরে যাওয়ায় এই ধস নেমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, শুকনো মৌসুমে বাঁধের কিছু অংশ দেবে গেলেও তখন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বুড়িরহাট এলাকার বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম (৩৫) বলেন, ‘শুকনা মৌসুমে যখন জায়গাটা দেবে গিয়েছিল, তখন কাজ করলে আজ এই বিপদ হতো না। এখন বালু নেই, পানি বাড়ছে-এখন কাজ করে কতটা সামলানো যাবে জানি না।’

রাজারহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।’ বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হঠাৎ নদীগর্ভে বিলীন ৪০ মিটার ক্রসবাঁধ

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাট এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসবাঁধের বড় একটি অংশ বিলীন হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে হঠাৎ শুরু হওয়া এই ভাঙনে বাঁধটির প্রায় ৪০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে চলে যায়। এতে করে ওই অঞ্চলের ছয়টি গ্রামের অন্তত ২০ হাজার মানুষ সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে বুড়িরহাট ক্রসবাঁধের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে হঠাৎ ভাঙন দেখা দেয়। মুহূর্তের মধ্যে বাঁধের একাংশ নদীতে ধসে পড়ে। বাঁধটি পুরোপুরি ভেঙে গেলে বড়দরগা, বুড়িরহাট, রামহরি, চতুরা, কালিরমেলা ও ডাংরারহাট গ্রামের বসতভিটা, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ছাড়াও অন্তত পাঁচটি স্থানীয় বাজার তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর কাউনিয়া স্টেশনে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ৭৫ মিটার, যা বিপৎসীমার (২৯ দশমিক ৩১ মিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপৎসীমার নিচে থাকলেও নদীর প্রবল স্রোতে বাঁধের নিচের অংশের মাটি ও বালু সরে যাওয়ায় এই ধস নেমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, শুকনো মৌসুমে বাঁধের কিছু অংশ দেবে গেলেও তখন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বুড়িরহাট এলাকার বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম (৩৫) বলেন, ‘শুকনা মৌসুমে যখন জায়গাটা দেবে গিয়েছিল, তখন কাজ করলে আজ এই বিপদ হতো না। এখন বালু নেই, পানি বাড়ছে-এখন কাজ করে কতটা সামলানো যাবে জানি না।’

রাজারহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।’ বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত