বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা প্রণয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদের উপস্থিতিতে এ বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শেলটেক কনসালটেন্ট (প্রাইভেট) লিমিটেডের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন প্রকল্প পরিচালক ড. হাফিজ আশরাফুল হক এবং শেলটেকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপাচার্য মামুন অর রশিদ বলেন, এই সমীক্ষার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নের বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পরিকল্পনা তৈরি করা সম্ভব হবে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ যেমন হবে, তেমনি শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী হয়ে উঠবে। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আহ্বান জানান।
প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা, মাস্টারপ্ল্যান ও ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নকে টেকসই ও পরিকল্পিত করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও জরিপও পরিচালনা করবে প্রতিষ্ঠানটি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গৃহীত এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। ই-জিপির মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের এই কাজটি পেয়েছে শেলটেক কনসালটেন্ট। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা প্রণয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদের উপস্থিতিতে এ বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শেলটেক কনসালটেন্ট (প্রাইভেট) লিমিটেডের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন প্রকল্প পরিচালক ড. হাফিজ আশরাফুল হক এবং শেলটেকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপাচার্য মামুন অর রশিদ বলেন, এই সমীক্ষার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নের বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পরিকল্পনা তৈরি করা সম্ভব হবে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ যেমন হবে, তেমনি শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী হয়ে উঠবে। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আহ্বান জানান।
প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা, মাস্টারপ্ল্যান ও ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নকে টেকসই ও পরিকল্পিত করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও জরিপও পরিচালনা করবে প্রতিষ্ঠানটি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গৃহীত এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। ই-জিপির মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের এই কাজটি পেয়েছে শেলটেক কনসালটেন্ট। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন