উল্টোপথে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার সার্কিট হাউজ রোডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
ট্রাফিক পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘মন্ত্রীর গাড়ি সকাল ৯টা ৮ মিনিটে সার্কিট হাউজ সড়কের উল্টো পথে সচিবালয়ের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাফিক পুলিশ পতাকাবাহী ‘রেঞ্জ রোভার’ গাড়িটি থামিয়ে দেয়। গাড়ির নম্বর ঢাকা মেট্রো–ঘ-১৮-২১২৫।’
চালককে বলা হয়, এভাবে উল্টোপথে গাড়ি চালানো ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আইনের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। দুটি মামলা হয়েছে এবং তিন হাজার, তিন হাজার করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চালক আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্রাফিক কর্মকর্তারা জানান, মন্ত্রীর গাড়ি যখন উল্টোপথে যাচ্ছিল, সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর পাশের সড়ক দিয়ে সচিবালয় অভিমুখে অতিক্রম করছিল। ঘটনার সময় গাড়িতে মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ছিলেন।
এক ট্রাফিক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে চলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এটা নজিরবিহীন। অতীতেও মন্ত্রীর গাড়ি গন্তব্যে দ্রুত যাওয়ার জন্য অথবা যানজট এড়াতে উল্টো পথে যাওয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে আসলেও মামলার ঘটনা এটিই প্রথম।’
মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে চলায় মামলার খবর এদিন সচিবালয়ে ব্যাপক আলোচনার খোরাক জোগায়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজে ট্রাফিক আইন মেনে সচিবালয়ে যাওয়া-আসা করছেন, যানজটের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলছে। সেখানে মন্ত্রী কিংবা সচিবের গাড়ি উল্টোপথে যাওয়ার এই ঘটনার পরিণতি দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য একটি বার্তা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
ঘটনার পর মন্ত্রীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উল্টোপথে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার সার্কিট হাউজ রোডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
ট্রাফিক পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘মন্ত্রীর গাড়ি সকাল ৯টা ৮ মিনিটে সার্কিট হাউজ সড়কের উল্টো পথে সচিবালয়ের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাফিক পুলিশ পতাকাবাহী ‘রেঞ্জ রোভার’ গাড়িটি থামিয়ে দেয়। গাড়ির নম্বর ঢাকা মেট্রো–ঘ-১৮-২১২৫।’
চালককে বলা হয়, এভাবে উল্টোপথে গাড়ি চালানো ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আইনের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। দুটি মামলা হয়েছে এবং তিন হাজার, তিন হাজার করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চালক আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্রাফিক কর্মকর্তারা জানান, মন্ত্রীর গাড়ি যখন উল্টোপথে যাচ্ছিল, সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর পাশের সড়ক দিয়ে সচিবালয় অভিমুখে অতিক্রম করছিল। ঘটনার সময় গাড়িতে মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ছিলেন।
এক ট্রাফিক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে চলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এটা নজিরবিহীন। অতীতেও মন্ত্রীর গাড়ি গন্তব্যে দ্রুত যাওয়ার জন্য অথবা যানজট এড়াতে উল্টো পথে যাওয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে আসলেও মামলার ঘটনা এটিই প্রথম।’
মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে চলায় মামলার খবর এদিন সচিবালয়ে ব্যাপক আলোচনার খোরাক জোগায়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজে ট্রাফিক আইন মেনে সচিবালয়ে যাওয়া-আসা করছেন, যানজটের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলছে। সেখানে মন্ত্রী কিংবা সচিবের গাড়ি উল্টোপথে যাওয়ার এই ঘটনার পরিণতি দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য একটি বার্তা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’
ঘটনার পর মন্ত্রীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

আপনার মতামত লিখুন