নরসিংদীর শিবপুরে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে তলিয়ে যাওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন গাজীপুরের কালীগঞ্জের ভঙ্গাল গ্রামের মো. ওবায়দুল্লাহ (৩৮), তার শ্যালিকা মোসা. শান্তা (১৬) এবং শিবপুরের চরলাখপুর গ্রামের সৌরভ (২০)। তবে টাঙ্গাইলের মো. শান্ত (২৪) নামে এক যুবক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শিবপুর উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের লাখপুর গ্রামের শীতলক্ষ্যা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ পরিবার নিয়ে শ্বশুর মজিবুর শেখের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। তার অন্য দুই শ্যালিকাও পরিবারসহ সেখানে আসেন। শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে মজিবুর শেখের ছোট মেয়ে শান্তা গোসল করতে নেমে নদীতে তলিয়ে যেতে থাকলে তাকে বাঁচাতে বোনজামাই ওবায়দুল্লাহ ও ভাগ্নে শান্ত নদীতে নামেন। কিন্তু তারা দুজনও স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হন। তাদের বাঁচাতে প্রতিবেশীর ছেলে সৌরভ পানিতে নামলে তিনিও তলিয়ে যান।
সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে সাফল্য না পেয়ে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভৈরব থেকে আসা ডুবুরি দলকে সঙ্গে নিয়ে পুনারায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয়।
পরবর্তী সময়ে শনিবার সকাল আটটার দিকে ঘটনাস্থলের কিছু দূর থেকে প্রথমে সৌরভের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সকাল নয়টায় ওবায়দুল্লাহ এবং দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে পলাশ উপজেলার শাওরাইদ এলাকা থেকে শ্যালিকা শান্তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজ শান্তকে উদ্ধারে নদীতে এখনো অভিযান চালাচ্ছে ডুবুরি দল।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নরসিংদীর শিবপুরে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে তলিয়ে যাওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন গাজীপুরের কালীগঞ্জের ভঙ্গাল গ্রামের মো. ওবায়দুল্লাহ (৩৮), তার শ্যালিকা মোসা. শান্তা (১৬) এবং শিবপুরের চরলাখপুর গ্রামের সৌরভ (২০)। তবে টাঙ্গাইলের মো. শান্ত (২৪) নামে এক যুবক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শিবপুর উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের লাখপুর গ্রামের শীতলক্ষ্যা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওবায়দুল্লাহ পরিবার নিয়ে শ্বশুর মজিবুর শেখের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। তার অন্য দুই শ্যালিকাও পরিবারসহ সেখানে আসেন। শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে মজিবুর শেখের ছোট মেয়ে শান্তা গোসল করতে নেমে নদীতে তলিয়ে যেতে থাকলে তাকে বাঁচাতে বোনজামাই ওবায়দুল্লাহ ও ভাগ্নে শান্ত নদীতে নামেন। কিন্তু তারা দুজনও স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হন। তাদের বাঁচাতে প্রতিবেশীর ছেলে সৌরভ পানিতে নামলে তিনিও তলিয়ে যান।
সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে সাফল্য না পেয়ে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভৈরব থেকে আসা ডুবুরি দলকে সঙ্গে নিয়ে পুনারায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয়।
পরবর্তী সময়ে শনিবার সকাল আটটার দিকে ঘটনাস্থলের কিছু দূর থেকে প্রথমে সৌরভের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সকাল নয়টায় ওবায়দুল্লাহ এবং দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে পলাশ উপজেলার শাওরাইদ এলাকা থেকে শ্যালিকা শান্তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজ শান্তকে উদ্ধারে নদীতে এখনো অভিযান চালাচ্ছে ডুবুরি দল।

আপনার মতামত লিখুন