কক্সবাজারের উখিয়ার নিকটবর্তী ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধীনস্থ ঘুমধুম বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত এলাকা থেকে এই মাদকের চালানটি জব্দ করে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম বিওপির একটি আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার-৩১ থেকে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে ‘নয়াপাড়া’ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। পরে সেখান থেকে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হন বিজিবি সদস্যরা।
উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম জানান, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্ত এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিজিবির এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ার নিকটবর্তী ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধীনস্থ ঘুমধুম বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত এলাকা থেকে এই মাদকের চালানটি জব্দ করে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুমধুম বিওপির একটি আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার-৩১ থেকে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে ‘নয়াপাড়া’ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। পরে সেখান থেকে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হন বিজিবি সদস্যরা।
উদ্ধার করা ইয়াবার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম জানান, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্ত এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিজিবির এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন