কারিগরি ক্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় অবস্থিত আদানি পাওয়ারের দ্বিতীয় ইউনিটটি রোববারই (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে ফিরছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই ইউনিটটির ত্রুটি মেরামত করে চালু করা সম্ভব হয়েছে।
আদানি পাওয়ারের পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, রোববার ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) ইউনিট-২ সফলভাবে চালু করা হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে এটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সিনক্রোনাইজ বা সংযুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। ফলে রবিবারের দুপুরের মধ্যেই কেন্দ্রটি থেকে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।
এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে কারিগরি বিভ্রাটের কারণে আদানি পাওয়ারের দ্বিতীয় ইউনিটটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয় এবং দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যায়। বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা সংস্থা পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) জানায়, ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার আগে কেন্দ্রটির দুই ইউনিট মিলিয়ে ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল, যা এক ধাক্কায় কমে পৌনে আটশ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
এর আগেও আগস্টের শুরুতে ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হলে কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। পরবর্তীতে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দিনে ৯০০ এবং রাতের পিক-আওয়ারে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে ঠিক সে সময়েই হঠাৎ কারিগরি ত্রুটির মুখ পড়ে একটি ইউনিট। ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গোড্ডা কেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট রয়েছে। বিপিডিবির আশা, ইউনিটটি পুন চালু হওয়ায় চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিংয়ের চাপ কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কারিগরি ক্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় অবস্থিত আদানি পাওয়ারের দ্বিতীয় ইউনিটটি রোববারই (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে ফিরছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই ইউনিটটির ত্রুটি মেরামত করে চালু করা সম্ভব হয়েছে।
আদানি পাওয়ারের পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, রোববার ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) ইউনিট-২ সফলভাবে চালু করা হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে এটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সিনক্রোনাইজ বা সংযুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। ফলে রবিবারের দুপুরের মধ্যেই কেন্দ্রটি থেকে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।
এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে কারিগরি বিভ্রাটের কারণে আদানি পাওয়ারের দ্বিতীয় ইউনিটটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয় এবং দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে যায়। বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা সংস্থা পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) জানায়, ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার আগে কেন্দ্রটির দুই ইউনিট মিলিয়ে ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল, যা এক ধাক্কায় কমে পৌনে আটশ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
এর আগেও আগস্টের শুরুতে ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হলে কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। পরবর্তীতে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দিনে ৯০০ এবং রাতের পিক-আওয়ারে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে ঠিক সে সময়েই হঠাৎ কারিগরি ত্রুটির মুখ পড়ে একটি ইউনিট। ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গোড্ডা কেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট রয়েছে। বিপিডিবির আশা, ইউনিটটি পুন চালু হওয়ায় চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিংয়ের চাপ কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

আপনার মতামত লিখুন