হরমুজ প্রণালিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) একটি বাণিজ্যিক জাহাজে নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে। মেরিটাইম ট্র্যাকার ও ব্রিটিশ নৌবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, সমুদ্রপথটি দিয়ে অতিক্রম করার সময় প্রজেক্টাইলের আঘাতে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে তীব্র শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা নাবিকদের অবস্থা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্যদিকে এর এক দিন আগেই সৌদি আরব তাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ তেল পাইপলাইনটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উক্ত পাইপলাইনে একটি ড্রোন হামলার পর সতর্কতাস্বরূপ রিয়াদ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ইরাক ও সৌদি আরব এ হামলার পেছনে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে।
আরব উপদ্বীপ জুড়ে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি দিয়ে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবাহিত হতো, যা বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় ৫ শতাংশ। ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালির স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় গত ছয় মাস ধরে এই পাইপলাইনটিই ছিল বিকল্প প্রধান পথ। পাইপলাইনে হামলার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যক্ষভাবে ইরানকে দায়ী করেছেন। সামরিক উত্তেজনা ও সরবরাহ সংকটের কারণে বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) একটি বাণিজ্যিক জাহাজে নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে। মেরিটাইম ট্র্যাকার ও ব্রিটিশ নৌবাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, সমুদ্রপথটি দিয়ে অতিক্রম করার সময় প্রজেক্টাইলের আঘাতে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে তীব্র শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা নাবিকদের অবস্থা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্যদিকে এর এক দিন আগেই সৌদি আরব তাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ তেল পাইপলাইনটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উক্ত পাইপলাইনে একটি ড্রোন হামলার পর সতর্কতাস্বরূপ রিয়াদ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ইরাক ও সৌদি আরব এ হামলার পেছনে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে।
আরব উপদ্বীপ জুড়ে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি দিয়ে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবাহিত হতো, যা বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় ৫ শতাংশ। ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালির স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় গত ছয় মাস ধরে এই পাইপলাইনটিই ছিল বিকল্প প্রধান পথ। পাইপলাইনে হামলার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যক্ষভাবে ইরানকে দায়ী করেছেন। সামরিক উত্তেজনা ও সরবরাহ সংকটের কারণে বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন