মেহেরপুর শহরের তাঁতিপাড়ার একটি বাড়িতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক, গুলি, নগদ টাকা ও দেশীয় অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি ও তার ছেলেকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শহরের জগার মিলসংলগ্ন এলাকায় মেহেরপুর জেলা প্রশাসন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন তাঁতিপাড়ার বাসিন্দা ফিরোজ হোসেন (৫৬) ও তার ছেলে আমানুল্লাহ আমান (২৭)।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কেনাবেচা চলছে–এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় যৌথ দল। পরে ফিরোজ হোসেনের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে ৩৭৩ বড়ি ইয়াবা, প্রায় ২ কেজি গাঁজা, ২৩ গ্রাম গাঁজার বীজ, ৫ রাউন্ড গুলি, অ্যালকোহল মেশানো ফেনসিডিল, ৬৪ গ্রাম ভাং, ২টি মুঠোফোন ও নগদ ৯ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম জানান, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এই বাড়িতে মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, 'মাদক তরুণ সমাজ ও পুরো সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। মেহেরপুরের কোথাও মাদকের খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বা জেলা প্রশাসনকে জানানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।'

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেহেরপুর শহরের তাঁতিপাড়ার একটি বাড়িতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক, গুলি, নগদ টাকা ও দেশীয় অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি ও তার ছেলেকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শহরের জগার মিলসংলগ্ন এলাকায় মেহেরপুর জেলা প্রশাসন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন তাঁতিপাড়ার বাসিন্দা ফিরোজ হোসেন (৫৬) ও তার ছেলে আমানুল্লাহ আমান (২৭)।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কেনাবেচা চলছে–এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় যৌথ দল। পরে ফিরোজ হোসেনের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে ৩৭৩ বড়ি ইয়াবা, প্রায় ২ কেজি গাঁজা, ২৩ গ্রাম গাঁজার বীজ, ৫ রাউন্ড গুলি, অ্যালকোহল মেশানো ফেনসিডিল, ৬৪ গ্রাম ভাং, ২টি মুঠোফোন ও নগদ ৯ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম জানান, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এই বাড়িতে মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, 'মাদক তরুণ সমাজ ও পুরো সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। মেহেরপুরের কোথাও মাদকের খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বা জেলা প্রশাসনকে জানানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।'

আপনার মতামত লিখুন