সংবাদ

চিত্রা নদীতে খাঁচায় মাছ চাষে বাজিমাত!


প্রতিনিধি, চিতলমারী (বাগেরহাট)
প্রতিনিধি, চিতলমারী (বাগেরহাট)
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম

চিত্রা নদীতে খাঁচায় মাছ চাষে বাজিমাত!
ছবি: সংবাদ

বাগেরহাটের চিতলমারী ও ফকিরহাট সীমান্তের চিত্রা নদীর প্রবহমান পানিতে খাঁচায় মাছ চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন মাত্রার যোগ করেছে। প্রথাগত পুকুর বা ঘেরের বাইরে গিয়ে নদীর পানিতে ভাসমান খাঁচায় আধুনিক পদ্ধতির এই মাছ চাষ ঘিরে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চিত্রা পাড়ের গোয়ালবাড়ি গ্রামের উদ্যমী চাষী গোপাল বিশ্বাস নদীর বুকে ১০টি ভাসমান খাঁচা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এসব খাঁচায় তিনি দ্রুতবর্ধনশীল তেলাপিয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েক প্রজাতির রঙিন (অ্যাকুয়ারিয়াম) মাছ চাষ করছেন। ফকিরহাট উপজেলা মৎস্য অফিসের পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তায় তিনি এ উদ্যোগ চালু করেন। প্রবহমান নদীতে জোয়ার-ভাটার কারণে পানি পরিষ্কার থাকায় রোগবালাই ও দূষণের ঝুঁকি কম থাকে বলে জানান তিনি।

চিত্রা পাড়ের বাসিন্দারা বলছেন, যাদের নিজস্ব জমি বা ঘের নেই, তারা নদীর প্রবহমান পানি ব্যবহার করে অল্প খরচেই এভাবে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারেন। চিতলমারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস আনসারী জানান, উপকূলীয় এলাকায় ভূমিহীন ও অসচ্ছল মানুষের বেকারত্ব দূর করতে ও মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে খাঁচায় মাছ চাষ বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চিত্রা নদীতে খাঁচায় মাছ চাষে বাজিমাত!

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের চিতলমারী ও ফকিরহাট সীমান্তের চিত্রা নদীর প্রবহমান পানিতে খাঁচায় মাছ চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন মাত্রার যোগ করেছে। প্রথাগত পুকুর বা ঘেরের বাইরে গিয়ে নদীর পানিতে ভাসমান খাঁচায় আধুনিক পদ্ধতির এই মাছ চাষ ঘিরে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চিত্রা পাড়ের গোয়ালবাড়ি গ্রামের উদ্যমী চাষী গোপাল বিশ্বাস নদীর বুকে ১০টি ভাসমান খাঁচা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এসব খাঁচায় তিনি দ্রুতবর্ধনশীল তেলাপিয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েক প্রজাতির রঙিন (অ্যাকুয়ারিয়াম) মাছ চাষ করছেন। ফকিরহাট উপজেলা মৎস্য অফিসের পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তায় তিনি এ উদ্যোগ চালু করেন। প্রবহমান নদীতে জোয়ার-ভাটার কারণে পানি পরিষ্কার থাকায় রোগবালাই ও দূষণের ঝুঁকি কম থাকে বলে জানান তিনি।

চিত্রা পাড়ের বাসিন্দারা বলছেন, যাদের নিজস্ব জমি বা ঘের নেই, তারা নদীর প্রবহমান পানি ব্যবহার করে অল্প খরচেই এভাবে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারেন। চিতলমারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস আনসারী জানান, উপকূলীয় এলাকায় ভূমিহীন ও অসচ্ছল মানুষের বেকারত্ব দূর করতে ও মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে খাঁচায় মাছ চাষ বড় ভূমিকা রাখতে পারে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত