চুক্তি অনুযায়ী মাত্র আট মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সাড়ে চার বছরেও আলোর মুখ দেখেনি টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভায় সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ‘সমন্বিত কঠিন ও মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট’। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবহেলা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিতে ঝুলে আছে পরিবেশবান্ধব এই মেগা প্রকল্প।
প্রকল্পটি চালু না হওয়ায় নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনহীন কালিহাতী পৌরসভার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা ও মানববর্জ্য ফেলা হচ্ছে নিচু জমি, পুকুর কিংবা রাস্তাঘাটে। ফলে পুরো আবাসিক এলাকা দুর্গন্ধের শহরে পরিণত হয়েছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
প্রকৌশল সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১ মার্চ নিশ্চিন্তপুর এলাকায় তিন একর জমিতে প্ল্যান্টটির কাজ শুরু হয়। বর্জ্য থেকে উন্নতমানের জৈব সার ও বিদ্যুৎ-গ্যাস উৎপাদনের কথা থাকলেও এখনও মূল ‘কমবাসশন মেশিন’ বসানোই সম্ভব হয়নি। ঠিকাদার নূরে আলম ও মেশিন সরবরাহকারী সাদেকুল ইসলাম কাঞ্চন জানান, জমি অধিগ্রহণ, জলাবদ্ধতা এবং চীনে ব্যাংক এলসি (ঋণপত্র) সংক্রান্ত জটিলতায় মেশিন পাঠাতে বিলম্ব হয়েছে। তবে আগামী দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে মেশিন এনে কাজ শেষ করার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
কালিহাতী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার জানান, হস্তান্তরের জন্য ঠিকাদার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে সার উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুক্তি অনুযায়ী মাত্র আট মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সাড়ে চার বছরেও আলোর মুখ দেখেনি টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভায় সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ‘সমন্বিত কঠিন ও মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট’। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবহেলা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিতে ঝুলে আছে পরিবেশবান্ধব এই মেগা প্রকল্প।
প্রকল্পটি চালু না হওয়ায় নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনহীন কালিহাতী পৌরসভার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা ও মানববর্জ্য ফেলা হচ্ছে নিচু জমি, পুকুর কিংবা রাস্তাঘাটে। ফলে পুরো আবাসিক এলাকা দুর্গন্ধের শহরে পরিণত হয়েছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
প্রকৌশল সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১ মার্চ নিশ্চিন্তপুর এলাকায় তিন একর জমিতে প্ল্যান্টটির কাজ শুরু হয়। বর্জ্য থেকে উন্নতমানের জৈব সার ও বিদ্যুৎ-গ্যাস উৎপাদনের কথা থাকলেও এখনও মূল ‘কমবাসশন মেশিন’ বসানোই সম্ভব হয়নি। ঠিকাদার নূরে আলম ও মেশিন সরবরাহকারী সাদেকুল ইসলাম কাঞ্চন জানান, জমি অধিগ্রহণ, জলাবদ্ধতা এবং চীনে ব্যাংক এলসি (ঋণপত্র) সংক্রান্ত জটিলতায় মেশিন পাঠাতে বিলম্ব হয়েছে। তবে আগামী দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে মেশিন এনে কাজ শেষ করার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
কালিহাতী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার জানান, হস্তান্তরের জন্য ঠিকাদার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে সার উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন