কুমিল্লার মুরাদনগরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বোন ও ভাতিজাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার প্রধান আসামি মোস্তাক আহমেদকে (আবু মিয়া) সিলেটে পালিয়ে যাওয়ার সময় আখাউড়ায় চলন্ত ট্রেনে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জেলার মুরাদনগর থানার ধরানীপাড়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের জেরে মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে মঞ্জুরুল আলম (৩৫) ও তার ফুফু খালেদা আক্তার বেবিকে (৭০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করা হলে ডিবির একটি বিশেষ দল তদন্তে নামে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার ২০ ঘণ্টার মধ্যে কুমিল্লা শহরের বাদশাহ মিয়া বাজার এলাকা থেকে এজাহারনামীয় ২ ও ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আখাউড়া এলাকায় চলন্ত ট্রেন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় প্রধান আসামি মোস্তাককে।
গ্রেপ্তার তিন আসামি হলেন—মো. মোস্তাক আহম্মেদ (৫৮), তার স্ত্রী হনুফা বেগম (৪৫) এবং তাদের পালিত কন্যা ইতি (১৮)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জোড়া খুনের কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিকেলে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার মুরাদনগরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বোন ও ভাতিজাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলার প্রধান আসামি মোস্তাক আহমেদকে (আবু মিয়া) সিলেটে পালিয়ে যাওয়ার সময় আখাউড়ায় চলন্ত ট্রেনে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জেলার মুরাদনগর থানার ধরানীপাড়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের জেরে মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে মঞ্জুরুল আলম (৩৫) ও তার ফুফু খালেদা আক্তার বেবিকে (৭০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করা হলে ডিবির একটি বিশেষ দল তদন্তে নামে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার ২০ ঘণ্টার মধ্যে কুমিল্লা শহরের বাদশাহ মিয়া বাজার এলাকা থেকে এজাহারনামীয় ২ ও ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আখাউড়া এলাকায় চলন্ত ট্রেন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় প্রধান আসামি মোস্তাককে।
গ্রেপ্তার তিন আসামি হলেন—মো. মোস্তাক আহম্মেদ (৫৮), তার স্ত্রী হনুফা বেগম (৪৫) এবং তাদের পালিত কন্যা ইতি (১৮)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জোড়া খুনের কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিকেলে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন