ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সুবর্ণদহ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেট নির্মাণের কাজ দীর্ঘ চার বছরেও শেষ হয়নি। এর মধ্যেই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে ফেরত গেছে বরাদ্দের টাকা। কবে নাগাদ এই কাজ শেষ হবে বা কে করবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে প্রতিদিন ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ গেটের নিচ দিয়েই যাতায়াত করছে অবুঝ শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাহমিনা বেগম জানান, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন পর প্রথম ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে চলে যান। পরবর্তীতে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে অন্য এক ঠিকাদার কাজটি পেলেও তিনি কোনো কাজই করেননি। বছরের পর বছর উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে তাগাদা দিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি।
সুন্দরগঞ্জ এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব উল আলম জানান, পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় কাজটি শুরু হলেও ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় ঠিকাদারের বিলম্বের কারণে প্রকল্পের মেয়াদই শেষ হয়ে যায়। ফলে বাকি বরাদ্দের ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ফেরত চলে গেছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চক্রবর্তী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি জানান, বিষয়টি সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা সভায় উত্থাপিত হয়েছে। এডিপির অর্থায়ন কিংবা নতুন চাহিদা পাঠিয়ে দ্রুততম সময়ে গেটটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সুবর্ণদহ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেট নির্মাণের কাজ দীর্ঘ চার বছরেও শেষ হয়নি। এর মধ্যেই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে ফেরত গেছে বরাদ্দের টাকা। কবে নাগাদ এই কাজ শেষ হবে বা কে করবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে প্রতিদিন ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ গেটের নিচ দিয়েই যাতায়াত করছে অবুঝ শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাহমিনা বেগম জানান, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন পর প্রথম ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে চলে যান। পরবর্তীতে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে অন্য এক ঠিকাদার কাজটি পেলেও তিনি কোনো কাজই করেননি। বছরের পর বছর উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে তাগাদা দিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি।
সুন্দরগঞ্জ এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহবুব উল আলম জানান, পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় কাজটি শুরু হলেও ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিল এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় ঠিকাদারের বিলম্বের কারণে প্রকল্পের মেয়াদই শেষ হয়ে যায়। ফলে বাকি বরাদ্দের ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ফেরত চলে গেছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চক্রবর্তী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি জানান, বিষয়টি সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা সভায় উত্থাপিত হয়েছে। এডিপির অর্থায়ন কিংবা নতুন চাহিদা পাঠিয়ে দ্রুততম সময়ে গেটটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন