ময়মনসিংহ বিভাগ গঠনের সময় কিশোরগঞ্জ জেলাকে ঢাকা বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের সরাসরি অভিশাপ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরাম’-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ফজলুর রহমান নিজের এই অবস্থানের কথা জানান।
বক্তব্যে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি কিশোরগঞ্জের মানুষ হলেও অন্তরে নিজেকে খাঁটি ময়মনসিংহের অংশ মনে করি। ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ কিংবা টাঙ্গাইলকে যারা বের করে পৃথক করেছে, তাদের প্রতি আমি অভিশাপ দিচ্ছি। আমি দেশের জাতীয় সংসদেও এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রেখেছি।’
আঞ্চলিক পরিচয় ও ঐতিহ্যের টান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের মানুষ। ময়মনসিংহ গীতিকা, ফকির মজনু শাহ, গীতিকার রশীদ উদ্দীন, জালাল খাঁ কিংবা উকিল মুন্সীর ঐতিহ্য ছেড়ে আমি কেন অন্য পরিচয়ে যাব? ঢাকায় গিয়ে বললেই তো আর আমি “ঢাকাইয়া” হয়ে যাব না; সেখানে গিয়ে নতুন পরিচয় কেন নিতে হবে? সুতরাং আমার মূল পরিচয় আমি ময়মনসিংহের মানুষ। বিভাগীয় বিন্যাসে কিশোরগঞ্জকে আলাদা করায় আমার হৃদয়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথির মধ্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার নাজমুল হাসান এবং কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ময়মনসিংহ বিভাগ গঠনের সময় কিশোরগঞ্জ জেলাকে ঢাকা বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের সরাসরি অভিশাপ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরাম’-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ফজলুর রহমান নিজের এই অবস্থানের কথা জানান।
বক্তব্যে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি কিশোরগঞ্জের মানুষ হলেও অন্তরে নিজেকে খাঁটি ময়মনসিংহের অংশ মনে করি। ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ কিংবা টাঙ্গাইলকে যারা বের করে পৃথক করেছে, তাদের প্রতি আমি অভিশাপ দিচ্ছি। আমি দেশের জাতীয় সংসদেও এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রেখেছি।’
আঞ্চলিক পরিচয় ও ঐতিহ্যের টান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের মানুষ। ময়মনসিংহ গীতিকা, ফকির মজনু শাহ, গীতিকার রশীদ উদ্দীন, জালাল খাঁ কিংবা উকিল মুন্সীর ঐতিহ্য ছেড়ে আমি কেন অন্য পরিচয়ে যাব? ঢাকায় গিয়ে বললেই তো আর আমি “ঢাকাইয়া” হয়ে যাব না; সেখানে গিয়ে নতুন পরিচয় কেন নিতে হবে? সুতরাং আমার মূল পরিচয় আমি ময়মনসিংহের মানুষ। বিভাগীয় বিন্যাসে কিশোরগঞ্জকে আলাদা করায় আমার হৃদয়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথির মধ্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার নাজমুল হাসান এবং কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন