যশোরের শার্শা উপজেলার স্বরূপদাহ গ্রামে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এক ব্যবসায়ীর ৩৫ বিঘা জমির মাছের ঘের দখলে নেওয়া এবং ৬০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ওরফে ঝনু নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তবিবুর রহমানের অভিযোগ, চাঁদার টাকা না দেওয়ায় জীবন রক্ষার্থে তিনি বাড়িছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পরিবারের সদস্যরা নিজেদের ঘেরে মাছ ধরতে গেলেও বাধা দেওয়া, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হুমায়ুন কবির ঝনু জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাকে মিথ্যা অস্ত্র মামলায় ফাসানোর পেছনে তবিবুরের ভূমিকা ছিল। মামলা চালাতে যে খরচ হয়েছে, তিনি সেই টাকা দাবি করেছেন। তবে ঘের দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, অন্য কারও লুট ঠেকাতে তিনি ঘেরটি পাহারা দিয়ে রাখছেন।
সরেজমিনে স্বরূপদাহের মাঠে গিয়ে ঘেরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখা গেছে। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, তবিবুর রহমান ও ঝনু পূর্বে ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তবিবুরকে ঘেরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। দ্রুত বিরোধের নিষ্পত্তি না হলে এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে তবিবুর রহমান নিজের সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যদিকে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলার স্বরূপদাহ গ্রামে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এক ব্যবসায়ীর ৩৫ বিঘা জমির মাছের ঘের দখলে নেওয়া এবং ৬০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ওরফে ঝনু নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তবিবুর রহমানের অভিযোগ, চাঁদার টাকা না দেওয়ায় জীবন রক্ষার্থে তিনি বাড়িছাড়া হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পরিবারের সদস্যরা নিজেদের ঘেরে মাছ ধরতে গেলেও বাধা দেওয়া, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হুমায়ুন কবির ঝনু জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাকে মিথ্যা অস্ত্র মামলায় ফাসানোর পেছনে তবিবুরের ভূমিকা ছিল। মামলা চালাতে যে খরচ হয়েছে, তিনি সেই টাকা দাবি করেছেন। তবে ঘের দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, অন্য কারও লুট ঠেকাতে তিনি ঘেরটি পাহারা দিয়ে রাখছেন।
সরেজমিনে স্বরূপদাহের মাঠে গিয়ে ঘেরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখা গেছে। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, তবিবুর রহমান ও ঝনু পূর্বে ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তবিবুরকে ঘেরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। দ্রুত বিরোধের নিষ্পত্তি না হলে এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে তবিবুর রহমান নিজের সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যদিকে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন