সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনায় ঠাকুরগাঁওয়ে আদিবাসী ওরাঁও সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘কারাম পূজা’ উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার সালন্দর পাঁচপীরডাঙ্গা গ্রামে নাচ-গান ও পূজার মধ্য দিয়ে এ উৎসব ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
জাতীয় আদিবাসী পরিষদ জেলা শাখার আয়োজনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। ওরাঁও সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, ভাদ্রের শেষে ও আশ্বিনের শুরুতে কারাম পূজা পালন করলে ডাল-ফসলের সমৃদ্ধি ঘটে এবং বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আদিকাল থেকেই তারা উপবাস পালন ও ‘কারাম’ (খিল কদম) গাছের ডাল পুঁতে এ পূজা করে আসছেন।
পূজা উপলক্ষে ওরাঁও নারী-পুরুষেরা দিনভর উপবাস থেকে সন্ধ্যায় গান ও বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে কারামগাছের ডাল সংগ্রহ করে এনে তৈরি করা বেদিতে রোপণ করেন। এরপর সব বয়সের মানুষ বর্ণাঢ্য পোশাকে সারিবদ্ধ হয়ে মাদল ও ঢোলের তালে নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন। শুধু আদিবাসী সম্প্রদায়ই নয়, অন্যান্য ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষও এই আনন্দে অংশ নেন।
তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের সূচনা হয় ১৬ সেপ্টেম্বর। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নদী বা জলাশয়ে কারাম গাছের ডাল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এই আয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হামিদ, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানু এবং জাতীয় আদিবাসী পরিষদের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনায় ঠাকুরগাঁওয়ে আদিবাসী ওরাঁও সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘কারাম পূজা’ উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার সালন্দর পাঁচপীরডাঙ্গা গ্রামে নাচ-গান ও পূজার মধ্য দিয়ে এ উৎসব ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
জাতীয় আদিবাসী পরিষদ জেলা শাখার আয়োজনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। ওরাঁও সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, ভাদ্রের শেষে ও আশ্বিনের শুরুতে কারাম পূজা পালন করলে ডাল-ফসলের সমৃদ্ধি ঘটে এবং বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আদিকাল থেকেই তারা উপবাস পালন ও ‘কারাম’ (খিল কদম) গাছের ডাল পুঁতে এ পূজা করে আসছেন।
পূজা উপলক্ষে ওরাঁও নারী-পুরুষেরা দিনভর উপবাস থেকে সন্ধ্যায় গান ও বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে কারামগাছের ডাল সংগ্রহ করে এনে তৈরি করা বেদিতে রোপণ করেন। এরপর সব বয়সের মানুষ বর্ণাঢ্য পোশাকে সারিবদ্ধ হয়ে মাদল ও ঢোলের তালে নেচে-গেয়ে মেতে ওঠেন। শুধু আদিবাসী সম্প্রদায়ই নয়, অন্যান্য ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষও এই আনন্দে অংশ নেন।
তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের সূচনা হয় ১৬ সেপ্টেম্বর। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নদী বা জলাশয়ে কারাম গাছের ডাল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এই আয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হামিদ, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানু এবং জাতীয় আদিবাসী পরিষদের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আপনার মতামত লিখুন